পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল বাংলার এই ১০ টি ট্রেন! জানিয়ে দিলো রেল মন্ত্রক! রইল তালিকা সহ বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- ভারতীয় রেল প্রতিনিয়ত এমন কিছু ধরনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন বা গ্রহণ করেন যার ফলে হয়তো কখনো কখনো যাত্রীদের মনে খুশির আমেজ বইতে শুরু করে আবার কখনো চিন্তার ভাঁজ সৃষ্টি হয়। তবে সম্প্রতি যে সিদ্ধান্ত ভারতীয় রেল গ্রহণ করেছে সে তা এই বাংলার যাত্রীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ কে আরো বাড়িয়ে তুলেছে সে ব্যাপারে নতুন করে বলার আর কোন অপেক্ষা রাখে না। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।

এমনটা মনে করা হচ্ছে যে বাংলার প্রতি প্রতিনিয়ত কেন্দ্রীয় সরকারের অবমাননার পরিমাণ বেড়েই চলেছে এবং এর রোষানল থেকে কোনমতেই পশ্চিমবাংলা মুক্ত হতে পারছে না। তাই কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এগুলিকে অলাভজনক ট্রেনের তকমা দিয়ে বন্ধ করে দেবার ব্যবস্থা করল। ভারতীয় রেলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এমনটা জানা যাচ্ছে যে বিহার বাংলা ঝাড়খণ্ডের সাথে সংযুক্ত ট্রেনগুলি চলাচল করলেও দেখা মিলছে না কোন যাত্রীর।

যার ফলে খরচ বাড়ছে ঠিক কথা কিন্তু সেভাবে কোনো অর্থ উঠে আসছে না সেখান থেকে ।তাই অবিলম্বে সেই সমস্ত ট্রেন গুলি কে তুলে নেওয়া দরকার এবং ট্রেনের সংখ্যা নেহাত কম নয়। আপ এবং ডাউন মিলে মোট 16 টি ট্রেনের তালিকা প্রকাশ করেছে ভারতীয় রেল ।সূত্রে জানা যাচ্ছে বিশেষ অসুবিধায় পড়তে চলেছে জঙ্গলমহলের যাত্রীরা। কারণ এই সমস্ত ট্রেন গুলি জঙ্গলমহলের সাথে সংযুক্ত ছিল।

ভারতীয় রেলের এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো ক্ষুব্ধ বাংলা বিহার এবং ঝাড়খণ্ডের যাত্রীরা এবং এমনটা শোনা যাচ্ছে যে বাঙালি বিরোধী কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলার যাত্রীদেরকে ভোগান্তির মধ্যে ফেলে দেওয়ার জন্য এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেখে নিন এক নজরে ট্রেনের তালিকা।তবে এই ষোলজনা ট্রেনের মধ্যে 10 টি ট্রেন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের একদমই ঠিক শুনেছেন জন্য আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে সে ট্রেন গুলির নাম কি কি।

১) হাওড়া থেকে পুরুলিয়া লালমাটি এক্সপ্রেস,
২) খড়গপুর থেকে পুরুলিয়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস
৩) শালিমার থেকে আদ্রা রাজ্যরানি এক্সপ্রেস,
৪) ঝাড়গ্রাম থেকে পুরুলিয়া বিরসা মুণ্ডা এক্সপ্রেস এবং
৫) খড়্গপুর থেকে হিজলি মেমু ট্রেন।

এছাড়াও ঝাড়খন্ড এবং রাঁচির আরো 6 ট্রেন বাতিল করে দিয়েছে ভারতীয় রেল। তবে শুধুমাত্র কি যাত্রী না হওয়ার কারণে বন্ধ করা হলো এ ট্রেন গুলি নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোন উদ্দেশ্য প্রশ্ন আসছে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে।

Back to top button