চালু হলো লক্ষীর ভান্ডারের নতুন নিয়ম। এই 3 টি ভুল করলে SMS আসলেও পারবেন না টাকা! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজ্যের বুকে শুরু হয়েছিল লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের কাজ কর্ম । এ রাজ্যের প্রতিটি মহিলারা 500 টাকা এবং হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান পাবে প্রতি মাসে। এমনটাই জানানো হয়েছিল নবান্ন থেকে। সেই মতন কাজকর্ম শুরু হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে কুড়ি লক্ষের বেশি মহিলারা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা পেতে শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন করে জানিয়েছেন যে যদি কোন মহিলা এই তিনটি ভুল কাজ করে থাকে তাহলে অবিলম্বে বাতিল করা হবে তা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র ।

আসুন জেনে নিন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সেই তিনটি ভুল কি কি। প্রথমত হচ্ছে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট যেহেতু লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক এর মধ্যে প্রবেশ করবে। তাই ব্যাংকের একাউন্টে তথ্য সঠিক ভাবে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি ।কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট সঠিকভাবে প্রদান করেন নি । অনেকে নাম্বারে অর্থাৎ অ্যাকাউন্ট নাম্বার ভুল লিখেছেন । ব্যাঙ্ক সংযোজনও হওয়ার ফলে নতুন যে আইএফএসসি কোড হয়েছে সেটি তারা গ্রহণ করতে পারেন নি যার ফলে সে জায়গাটি ফাঁকা রেখে দিয়েছে।

ঠিক এই ধরনের সমস্যা গুলি যারা করেছেন তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র সম্পূর্ণ রকম ভাবে বাতিল করা হবে। লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র জমা করার সাথে সাথে সরকারি আধিকারিকদের পাওয়া তথ্য অনুসারে এমনটা জানানো হচ্ছে যে সবথেকে বেশি মাত্রায় এই দুইটি ভুল করেছে মানুষেরা। প্রথমত হচ্ছে যে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্রে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর নাম্বার প্রদান করতে বলা হয়েছিল।

প্রত্যেকেই নাম্বার প্রদান করেছে। কিন্তু যদি ভালো করে আপনি কার্ডটি লক্ষ্য করে দেখেন তাহলে দেখবেন এই নাম্বারের পাশে আরো একটি এক সংখ্যার একটি নাম্বার রয়েছে যেটি হয়তো অনেকেই দিতে ভুল করছেন বা দিচ্ছেন না। তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু এই আবেদন পত্রের সম্পূর্ণ রকম ভাবে গ্রহন করা হচ্ছে না। এরপর ভুলটা মানুষ সব থেকে বেশি করেছে সেটা হচ্ছে কাস্ট সার্টিফিকেট sc st এবং অন্যান্যদের জন্য যে কক্ষ বা ঘরে রাখা হয়েছিল সেই আগাতে মানুষ সব থেকে বেশি ভুল করছে ।

যারা এসসি এসটি কাস্ট সার্টিফিকেট এর জন্য দিয়েছেন তারা কিন্তু অনেকেই সার্টিফিকেট নাম্বার লিখতে ভুলে গেছেন। পাশাপাশি যারা এখনো পর্যন্ত কাস্ট সার্টিফিকেট পাননি তারা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন এবং সেখান থেকে একটি রিসিপ আপনাদেরকে দেওয়া হয়েছিল যেখানে অ্যাপ্লিকেশন নাম্বার প্রদান করা ছিল। অনেকেই সেটিকে রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ভেবে সার্টিফিকেটের নাম্বারের জায়গায় লিখে দিয়েছে। কিন্তু আপনাদের কে জানতে হবে কাস্ট সার্টিফিকেট এর রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং এপ্লিকেশন নাম্বার সম্পূর্ণ আলাদা ।তাই যারা যারা করেছেন তাদের আবেদনপত্র বাতিল হয়েছে।

Back to top button