বাংলার দিকে এগিয়ে আসছে ভ’য়ঙ্কর দুর্যোগ! এই 12 টি জেলায় লাল সর্তকতা জারি আবহাওয়া দপ্তরের! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- বিগত কয়েকদিন ধরেই আকাশের মুখ রীতিমতো মেঘলা। মাঝেমধ্যেই দু-এক পশলা বৃষ্টি হচ্ছে এই বাংলাতে । কিন্তু আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুসারে এমনটা বলা যাচ্ছে যে গত ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৭ সেপ্টেম্বর আছে পড়তে চলেছে উপকূলবর্তী অঞ্চলে গুলিতে। সপ্তাহ খানেক ধরেই এই নিম্নচাপ এর ফলে বেশ হয়রানির সম্মুখীন হয়েছেন রাজ্যের মানুষ। বিশেষত উপকূল অঞ্চল গুলিতে ইতিমধ্যেই প্লাবন দেখা দিতে শুরু করে দিয়েছে।

কলকাতা সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রায় এক হাঁটু জল জমে গিয়েছে। ফলস্বরূপ মানুষের বাড়ির বাইরে বেরোনো এবং যাতায়াত প্রায় অচল হয়ে পড়েছে দিন প্রতিদিন। এরই মধ্যে আবারও রেড অ্যালার্ট জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সম্প্রতি আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর এর তরফ থেকে এমনটা জানানো হচ্ছে যে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর একটি নয় বরং দুইটি ঘূর্ণবাতের সৃষ্টি হয়েছে যা আগামী সময় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।

এবং মূলত শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ এবং তার সংলগ্ন এলাকাতে প্রভাব দেখা যাবে বলে অনুমান করছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর । শুক্রবার অর্থাৎ ২৪ শে সেপ্টেম্বরে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে তার গতিপথ আপাতত উড়িষ্যার দিকে হলেও ২৬ তারিখ এবং ২৭ তারিখে যে নিম্নচাপ সৃষ্টি হবে তার গতিপথ কিন্তু বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে ।।যার ফলে একাধিক জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত দেখা যাবে।

এমনকি নবান্নে তরফ থেকে বেশ কয়েকটি জেলাতে লাল সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে বাংলা উপকূলের দিকে ধেয়ে আসতে চলেছে পরপর দুটি ঘূর্ণাবর্ত। যার ফলে আকাশ রীতিমতো মেঘলা হয়ে থাকছে। তবে আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী এমনটা বলা যেতে পারে যে পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা হাওড়া এবং হুগলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে চলেছে।

যার ফলে সেখানে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কবার্তা। অপরদিকে দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতে যেমন বাঁকুড়া পুরুলিয়া বীরভূম ঝারগ্রাম ইত্যাদি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত দেখা যাবে। সাথে থাকবে বর্জ্য বিদ্যুৎ। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।

Back to top button