ফের ইন্দ্রপতন! চলে গেলেন জনপ্রিয় গায়িকা, চোখে জল অনুরাগীদের!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- কবে এই মৃ-ত্যু-মি-ছিল থামবে তা আমরা কেউ জানিনা । ২০২০ প্রথম থেকে শুরু হয়েছিল এ মৃ-ত্যুর মি-ছিল এর রেশ । তারপর একে একে ছ-ড়িয়ে প-ড়েছে গোটা দেশে ।।এখনো পর্যন্ত অব্যাহত থেকেছে সেটি ।ইতিমধ্যে বাজারে ভ্যা-ক-সিন আ-বিষ্কার হয়ে গেলেও তার ফল পাওয়া যাচ্ছে না কোন অংশেই । সমস্ত কিছুকে উপেক্ষা করে একাই গোটা পৃথিবী জুড়ে রাজ করছে এই ক-রো-না ভা-ই-রাস। আগের বছর আমরা ক-রোনা ভা-ই-রাস এর জন্য হারিয়েছিলাম আমাদের প্রিয় আপনজনদেরকে । একে একে মুছে গিয়েছিল মুখ-গু-লি ।

বহু কিংবদন্তি তারকা অভিনেতা এবং অভিনেত্রীরা তার সাথে সাথে গায়িকা রা প্র-য়াত হয়ে-ছিলেন । ক-রোনার ক-বলে । সম্প্রতি আরও এ-কটা মৃ-ত্যুর কো-লে ঢ-লে পড়-লেন ও শে-ষ নিঃ-শ্বাস ত্যা-গ ক-রলেন তিনি । যার ফলে সংগীত জগতে নেমে এসেছে শো-কের ছা-য়া । বিখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত গায়িকা ‘মিতা হক’ শে-ষ নিঃ-শ্বাস ত্যা-গ ক-রেছেন আজ ভোর ছটা নাগাদ । বাংলাদেশের গায়িকা মৃ-ত্যু-কালে বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর । বহু বছর ধরে তিনি কি-ডনি স-ম-স্যায় ভু-গ-ছিলেন ।

প্রতিনিয়ত চলত ডা-য়া-লি-সিস । গত চারদিন আগে তাকে ক-রোনা ভা-ই-রাসে আ-ক্রান্ত করে এবং হা-স-পা-তালের থাকাকালীন চি-কি-ৎসা চ-লে । কিন্তু আজ সকাল ছটা না-গাদ তার মৃ-ত্যু ঘ-টে । তার মৃ-ত্যুর খবর ছ-ড়িয়ে প-ড়েছে বাংলাদেশ ছাড়াও আশেপাশে অনেক দেশে এবং সেখানকার শিল্পী মহলের মধ্যে নেমে এসেছে শো-কের ছা-য়া। মিতা হকের জন্ম ১৯৬২ সালে বাংলাদেশে। তিনি তবলাবাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে গান শিখতেন।

মাত্র ১৫ বছর বয়স থেকে তিনি নিয়মিত বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সঙ্গীত পরিবেশন করতেন। বাংলাদেশের অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের রবীন্দ্র সঙ্গীত বিভাগের প্রধান ছিলেন মিতা দেবী। তিনি রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মেলন পরিষদের সহ-সভাপতিও ছিলেন। সঙ্গীতশিল্পী মিতা হক অভিনেতা খালেদ খানের স্ত্রী। তাঁর মেয়ে ফারহীন খান জয়ীতাও একজন রবীন্দ্র সঙ্গীতশিল্পী।তিনি তার সুরেলা কন্ঠ দিয়ে আবেগে আপ্লুত করে তুলতেন তার অনুগামী ও শ্রোতা বন্ধুদের । তবে এবার থেকে আর শোনা যাবে না তার কণ্ঠ । সেটা মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই ।

Back to top button