মিঠাই বাস্তবে কতটা ক’ষ্টে গরিব ঘরের মেয়ে থেকে যেভাবে মিঠাইয়ের নায়িকা হলেন, দেখলে চোখে জল আসবে আপনারও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- ধারাবাহিক জগতের এক জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো মিঠাই । একথা আমরা প্রত্যেকে জানি । মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে পুরনো সমস্ত ধারাবাহিকের টিআরপি কে পিছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করা এই ধারাবাহিকটি । এই মুহূর্তে জনপ্রিয়তার তু-ঙ্গে অবস্থান করছে । কিন্তু কেন এত জনপ্রিয়তা ? প্রশ্ন আসতেই পারে । মিঠাই ধারাবাহিকে এই কারণে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত কারণ এখানে একান্নবর্তী পরিবারের বাস্তব চিত্র এঁকে নিপুন ভাবে তুলে ধরা হয়েছে । খুঁটিনাটি যাবতীয় যা সমস্ত বিষয়গু-লি থেকে থাকে সমস্ত কিছুকে নিখুঁত ভাবে তুলে ধরা হয়েছে এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে তাই জনপ্রিয়তার প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে ।

এর অবশ্য এই জনপ্রিয়তার অন্যতম মূল কারণ হলো অর্থাৎ সৌম্যতৃষা কুন্ডু । একজন গ্রামের সহজ সাদাসিদে মেয়ের শহরের একটি বড় লোক বাড়িতে বিয়ে হওয়ার পর গল্প দেখানো হয়েছে । মিঠাই মিষ্টি তৈরি করতে পারে ভালো করে । এবং সেই মিষ্টি জাদু বলেই কু-পোকা-ত তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা । তাই তো শ্বশুরবাড়ি থেকে গেছে সে ধীরে ধীরে প্রিয় হয়ে উঠেছে বিশেষ করে দাদুর কাছে । মিঠাই বিয়ে করেছে সিদ্ধার্থকে অর্থাৎ যার অভিনয় জগতে সিদ্ধার্থ কে । এবং বিয়ে করার পর থেকেই একের পর এক অন্য কোনো ঝা-মেলা লেগেই থাকে তাদের মধ্যে ।

তবে সম্প্রতি দাদুর কথা মতো ডি-ভোর্স পে-পারে সাইন করেছে দুজনে । তবে সেই ডি-ভোর্সের পেপার আসল না নকল তা জানা সম্ভব হয়নি এখনো । কিন্তু কে এই অভিনেত্রী কোথা থেকে তার অভিনয় যাত্রা শুরু ? জানা যাচ্ছে মিঠাই ধারাবাহিকের মাধ্যমে কিন্তু তার অভিনয় জগত শুরু হয়নি গত পাঁচ বছর ধরে তিনি বাংলা ইন্ডাস্ট্রির সাথে যুক্ত আছেন । ‘এ আমার গুরুদক্ষিণা’ ধারাবাহিকের নে-গেটিভ চ-রিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। তার পর ‘জয় কালী কলকাত্তাওয়ালী’, ‘গোপাল ভাঁড়’, ‘অলৌকিক না লৌকিক’ ইত্যাদি সিরিয়ালে দেখা যায় তাকে।

পরবর্তীতে সুযোগ আসে ‘কনে বউ’-এর প্রধান চরিত্রে। এই ধারাবাহিকের কাজ শেষ হতে না হতেই সুযোগ পান ‘মিঠাই’-এ। ‘এ আমার গুরুদক্ষিণা’ ধারাবাহিকের নে-গেটিভ চ-রিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। তার পর ‘জয় কালী কলকাত্তাওয়ালী’, ‘গোপাল ভাঁড়’, ‘অলৌকিক না লৌকিক’ ইত্যাদি সিরিয়ালে দেখা যায় তাকে। পরবর্তীতে সুযোগ আসে ‘কনে বউ’-এর প্রধান চরিত্রে। এই ধারাবাহিকের কাজ শেষ হতে না হতেই সুযোগ পান ‘মিঠাই’-এ। এক সাক্ষাৎকারে মিঠাই বলেন যে তাকে কখনোই অডিশন দিতে হয়নি কখনো। একটা সময় একটি ব্র্যান্ডের হয়ে মডেলিং দিয়ে শুরু হয় সৌমিতৃষার পথচলা।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছেন। এবার পেয়েছেন বড় ব্রেক। এই ধারাবাহিকের জন্য নাকি তাকে ময়রার কাছ থেকে শিখতে হয়েছে কী ভাবে দুধ জ্বাল দিতে হয়, কী ভাবে ছানা পাকাতে হয়। এছাড়াও জিলিপি ভাজার কায়দা, মনোহরা বানানোও আয়ত্তে আনতে হয়েছে তাকে। তবে তার এই অভিনয় জগতে আসার পিছনে তার বাবা মায়ের অবদান অনেকখানি ।তাইতো উপার্জনের প্রথম টাকা পেয়ে বাবা মাকে প্রণাম করে সব টাকা তুলে দিয়েছিলেন তাদের হাতে। কারণ যে মানুষগুলোর জন্য তার এই অভিনয় জগতে পথ চলা শুরু উপার্জনের প্রথম টাকা তাকে যদি না সমর্পণ করা হয় তাহলে হয়তো খুব বড় অ-ন্যায় হ-বে বলে মনে করেন অভিনেত্রী । তবে এই মুহূর্তে অভিনেত্রী মিষ্টি হাসি এবং সুন্দর চেহারা দেখে কু-পোকা-ত তরুণ প্রজন্মের প্রতি ছেলে এবং মেয়ে ।

Back to top button