ভু’য়া ভ্যা’কসিন নিয়ে একই অবস্থা মিমির, পেটে ব্য’থা কমানোর ভ্যা-কসিন দিয়ে দেওয়া হলো মিমির শরীরে, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- এবার সাংসদ তথা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী পড়লেন প্র-তারনার জা-লে । নিলেন ভুল ভ্যা-কসিন ।আর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দ-খল ক-রে রেখেছে খবরের শিরোনাম । এই ভ্যাকসিন নিয়ে যাবতীয় বি-তর্ক এবং স-মালোচনা এর আগে দ-খল করেছে খবরের শিরোনাম । জা-লিয়াতির কথা বা কারচুপির কথা উঠে এসেছে খবরের শিরোনাম এর মাধ্যমে । তবে এবার খোদ সাংসদ তথা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ভুল ভ্যাকসিন নিয়ে প্র-তারণার শি-কার হলেন এবং নিজের উদ্যোগেই সেই পর্দা ফাঁ-স ক-রলেন সবার সামনে । উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলেন তিনি ।কিভাবে এই ঘটনার সূত্রপাত জানাবো আপনাদের বিস্তারিত ।

মিমি চক্রবর্তী যাদবপুরের সাংসদ তার পাশাপাশি বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী । কিন্তু তার কাছে খবর আসে যে কোন এক আইএএস অফিসার নাম দেবাঞ্জন পাত্র তিনি একটি ভ্যা-কসিন ক্যাম্পের আয়োজন করেছেন এবং সে ক্যাম্পের প্রচার এর জন্য মিমি চক্রবর্তীকে সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল । মিমি চক্রবর্তী সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং সেখান থেকেই নিজের প্রথম ভ্যা-কসিনটি গ্রহণ করেন । সেখানে প্রতিবন্ধী বা সমকামীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল । কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে উঠে এলো চা-ঞ্চল্যকর ত-থ্য।

মিমি চক্রবর্তী জানান যে ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কোনরকম কোন মেসেজ আসে নি তার মোবাইল ফোনে । এমনকি সার্টিফিকেট চাইলেও তারা বলেন যে বাড়িতে পৌঁছে যাবে কিন্তু তিন-চারদিন অতিক্রম হওয়ার পরও সার্টিফিকেট আসেনি । তখন তিনি এই ব্যাপারে খোঁজ শুরু করেন এবং সেই ক্যাম্প থেকে ভ্যাকসিন নেওয়া অন্যান্য মানুষদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং জানতে পারেন তাদেরও একই অবস্থা । যার ফলে তিনি বুঝতে পারেন যে একটা গ-ভীর ষ-ড়য-ন্ত্র চলছে এর মধ্যে । তারপর প্রশাসনের তৎপরতায় এই ক্যাম্পের আয়োজন দেবাঞ্জন দেব যিনি নিজেকে একজন আইএএস অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তাকে গ্রেফতার করা হয় ।

পরবর্তী ক্ষেত্রে জানা যায় তিনি একজন প্র-তারক । এমনকি অ-বৈধভাবে কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করছিলেন তিনি । একটি জা-ল কার্ড পাওয়া গেছে তার থেকে । তবে এত পরিমান টিকা কোথা থেকে এলো সে ব্যাপারে চলছে ত-দন্ত । তবে এর মাঝে মিমি চক্রবর্তী একটি লাইভ ভিডিও করেন এবং সে লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে তিনি বলেন যে অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করছেন আমি কেমন আছি । তাদের উদ্দেশ্যে জানিয়ে রাখি আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি । ইতিমধ্যে আমি আমার ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতেই রয়েছি ।

তার পাশাপাশি সেই ভূঁইয়া ভ্যা-কসিন কে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য । দু’চারদিনের মধ্যে ফলাফলে আমরা জানতে পারব তার মধ্যে কি ছিল । এর পাশাপাশি আমি জানিয়ে রাখতে চাই যে সমস্ত মানুষেরা সেইদিন ওই ক্যাম্প থেকে ভ্যা-কসিন নিয়েছিলেন তারা অতি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং সুস্থ থাকুন । যারা পরবর্তী ক্ষেত্রে কোন জায়গায় ভ্যা-কসিন নেবেন তাদের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি তিনি তুলে ধরেছেন সেটি হল যে যখনই কোন ভ্যা-কসিন সেন্টার আপনি যাবেন এবং নিজের নাম রেজিস্ট্রেশন করবেন তখন আপনার মোবাইল নাম্বারে একটি ম্যাসেজ আসবে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার মতন । সেটি অতি অবশ্যই যেন তারা খেয়াল রাখেন এমন সচেতনতা দিয়েছেন মিমি চক্রবর্তী ।

Back to top button