স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে আবেদন করার আগে সতর্ক হয়ে যান, সাবধান!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আমরা জানি যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর অনুপ্রেরণায় এবং রাজ্য সরকারের তৎপরতায় এই রাজ্যের সকল পড়ুয়াদের জন্য ১০ লক্ষ টাকার একটি ক্রেডিট কার্ডের প্রকল্প চালু করেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে অনেকেই জেনে গেছেন এই কার্ডের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য । কিন্তু যে প্রশ্নটা বারবার উঠে আসছে যে ক্রেডিট কার্ড নেওয়া সুবিধাজনক হবে নাকি বি-পদজনক? এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট ভাবে পাওয়া না গেলেও সম্প্রতি পাওয়া গেছে একটি বিশ্লেষণের মাধ্যমে ।

এবং খুব সহজ ভাষায় যদি আপনাদের সামনে তুলে ধরে আপনারা আপনাদের সিদ্ধান্ত অবিচল থাকতে অ-সুবিধা হবে অর্থাৎ আপনার নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করা উচিত কি উচিত নয়। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে যে একজন পড়ুয়াকে সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা ধার দেওয়া হবে । একদমই ঠিক শুনেছেন এটি কোন স্কলারশিপ সরকারি অনুদান নয় এটি সরকারের পক্ষ থেকে একটি ধার দেওয়া হচ্ছে আপনাকে ।।যেটি আপনার থেকে পরবর্তী সময়ে সুদ সমেত ফেরত নেবে এবং এই সুদের পরিমাণ নেহাতই কম নয় ।

৪ শতাংশ সুদ ধার্য্য করা হবে এবং সেই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে চাকরি পাওয়ার ১৫ বছরের মধ্যে আপনাকে এই ধার শোধ করতে হবে । অর্থাৎ আপনি যদি চাকরি পান তাহলে আপনার চাকরি থেকে কিছুটা পরিমাণ টাকা সরকার কেটে নেবে । এবার ধরুন আপনি এই রাজ্যের ১০ বছর স্থায়ী বাসিন্দা । তার পাশাপাশি আপনার আর্থিক অবস্থা ভালো নয় । তাই আপনি ভাবলেন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করবেন ।

কিন্তু আবেদন করার আগে এমনটা ভাববেন যে সেই টাকা মেটাবার সামর্থ্য বা ক্ষমতা আপনার আছে কিনা এখানে রাজ্য সরকার বলেছে কোন গ্যারান্টার এর প্রয়োজন হবে না ঠিক কথাতেই । কিন্তু ১৫ বছর পর আপনি যদি সেই টাকা সুদে আসলে ফেরত দিতে না পারেন তাহলে কিন্তু কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করে রাজ্য সরকার । তাই আবেদন করার আগে অতি অবশ্যই আপনার ভাবা দরকার যে আপনি চাকরি পাবেন কিনা যদি চাকরি পান তাহলে সেই চাকরির মাইনে থেকে বা বেতন থেকে আপনি ১৪ বছরের মধ্যে আপনার ধার নেওয়ার টাকা শোধ করতে পারবেন কিনা । যদি এগু-লি পারেন বা এগুলোতে সামর্থ্য থাকেন তাহলে অতি অবশ্যই আবেদন করতে পারেন ।

Back to top button