খুলে দেওয়া হলো তিস্তা ব্যারেজের সমস্ত গেট, যেসব অঞ্চলে থাকছে ক’ড়া ব-ন্যা সতর্কতা!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- দুটি দেশের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য জলপথ একটি অন্য মাধ্যমে । আমরা প্রত্যেকে জানি জাহাজ ছোট ছোট নৌকো সাহায্যে বর্ডার এর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়া যায় । কিন্তু তার মাঝখানে থাকে বিভিন্ন লক গেট । যার উপর গড়ে ওঠে কোন ব্যারেজ । একদমই ঠিক শুনেছেন নদীর মাঝপথে আটকে দেওয়া হয় জলের গতিবেগ । এবং প্রযুক্তিগতভাবে তার গতিবেগ কে নিয়ন্ত্রিত করা হয় এই পদ্ধতিটি সাধারণত লক গেট এর মাধ্যমে করা হয়ে থাকে ।

তাই লক গেট খোলা বন্ধ করার ওপর নির্ভর করে যে সেই সমস্ত দেশে নদীতে জলের পরিমাণ কতটা বাড়বে বা কমবে । পরিস্থিতি কখনো কখনো এতটা ভয়ঙ্কর বিপদজনক হয়ে ওঠে যে মাঝেমধ্যে তাদেরকে বাধ্য হয়ে খুলে অপসারিত করতে হয় । যার ফলে অন্যান্য পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বেড়ে যায় যেমন ঘটল এবার বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে। ভারত এবং বাংলাদেশের সীমান্তে তিস্তা নদী রয়েছে সেই তিস্তা নদীর জলের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে ভারত থেকে খুলে দেওয়া হলো ৪৪ টি লক গেট । যার ফলে প্রচুর পরিমাণে জল বাংলাদেশের দিকে প্রবাহমান ।

গত বেশ কয়েকদিন ধরে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য তিস্তা নদীতে জলের পরিমাণ ক্রমশ বেড়েই চলছিল । এমনকি ন-দীর পা-ড়ে ভা-ঙ্গন দেখা দিয়েছিল । তাই নদীর পাড়ে বসবাসকারীদের কে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অন্যত্র । এমনকি পাহাড় ধ্ব-স না-মতে দেখা গেছে । যেহেতু অধিক বৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীর জলের পরিমাণ বেড়েই চলেছে তাই এবার ভারত সরকারের তরফ থেকে খুলে দেওয়া হলো তার গেট এবং এই গেট খুলে দেওয়ার ফলে বাংলাদেশে কয়েকটি অঞ্চলে ব-ন্যার সম্ভাবনা থেকে থাকে।

তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় জল বেড়ে যাওয়ায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে ভা-ঙন। এছাড়া পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী ও সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুণ্ডা, ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে জল প্রবেশ করেছে। বিশেষ করে গোকুণ্ডা এলাকায় তিস্তার ভাঙ্গন প্রবল আকার ধারণ করেছে।

বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন বোর্ডের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে তিস্তা নদীর লকগেট থেকে জল খুলে দেওয়ার জন্য নীলফামারী জেলার ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টের তিস্তার পানি বিপদসীমার দশমিক ০৭ মিটার ওপরে ওঠে আসে। শেরপুরের নালিতাবাড়ির নাকুগাঁও পয়েন্টে মেঘালয় থেকে নেমে আসা ভোগাই নদীর পানি দশমিক ২০ মিটার ওপরে ওঠে আসে। এর ফলে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী বাসিন্দাদের কিছুটা স-মস্যার স-ম্মুখীন হতে হবে বলে জানা গেছে যদি এখনও পর্যন্ত তেমন কোনো সতর্কবার্তা জা-রি করা হয়নি বাংলাদেশের তরফ থেকে ।

Back to top button