প্রয়াত হলেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার কাছের মানুষ ও প্রিয়জন, প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকে ভে’ঙে পড়লেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- মাঝেমধ্যে আমাদেরকে ছেড়ে চলে যায় আমাদের প্রিয় মানুষগুলো যার ফলে এক শূন্যতা সৃষ্টি হয় আমাদের চারিপাশে । এবং এই শুন্য হবার অনুভূতি যথেষ্ট বে-দনা-দায়ক এবং ম-র্মা-ন্তিক । প্রত্যেকের ক্ষেত্রে এই অনুভূতি এক এবং অভিন্ন ।সেটা অভিনেতা হতে পারে অভিনেত্রী হতে পারে বা সাধারণ মানুষ হতে পারে । এবার ঠিক তেমনি শূন্যতার সৃষ্টির ঘটনা সামনে উঠে এলো । চলে গেলেন অঙ্কুশ ঐন্দ্রিলার সব থেকে কাছের প্রিয় এই মানুষটি । এবং তার অ-কাল মৃ-ত্যুতে গ-ভীরভাবে শো-কাহত তারা ।

তার পাশাপাশি শোকাহত গোটা টলিউড ইন্ডাস্ট্রি । অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলা সম্পর্ক বহুদিনের প্রায় ১০ বছর ধরে তারা একই সাথে সম্পর্ক রয়েছে অঙ্কুশ পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দা সেখান থেকে কলকাতা তে উঠে এসেছিলেন নিজের স্বপ্ন পূরণে তাগিদে কেল্লাফতে সিনেমার মাধ্যমে ২০১০ সালে তাঁর অভিনয় জগতে পদার্পণ ঘটে । অপরদিকে ঐন্দ্রিলা বর্ধমানের বাসিন্দা । তিনি নিজের স্বপ্ন পূরণের তাগিদে পাড়ি দিয়েছিলেন কলকাতাতে । বড় পর্দায় তেমনভাবে স্থান না করতে পারলেও ছোটপর্দার ধারাবাহিকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন এই অভিনেত্রী ।

বহুদিন ধরে সম্পর্ক থাকার ফলে এবার তারা গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন চলতি বছরে তাদের মধ্যে বিবাহ বন্ধন সম্পর্ক স্থাপন হবে বলে শোনা যাচ্ছে যার ফলে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা রত তার অনুরাগীরা কিন্তু এর মাঝে হঠাৎ করে দুঃ-সংবাদ ঘিরে ধরলো তাদেরকে । সম্প্রতি প্রয়াত হলেন অভিনয়জগতে তাদের সব থেকে কাছের মানুষ বাপ্পাদা । যাকে কোনদিন হয়তো পর্দায় দেখতে পায়নি সাধারণ মানুষ । কিন্তু কার কখন ওষুধ লাগবে কার জল লাগবে ইত্যাদি যাবতীয় সরঞ্জাম একা হাতে সামলানো সেই শু-টিং সেটে বাপ্পাদা ।

যে অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলার প্র-চন্ড ঘনিষ্ঠ ছিলেন । তাঁর অকাল চলে যাওয়াতে কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তারা অঙ্কুশ এবং ঐন্দ্রিলা । দুজনেই সোশ্যাল মিডিয়াতে বাপ্পাদার সাথে কিছু ছবি শেয়ার করে পুরনো দিনের স্মৃতি রোমন্থন করেছেন । সম্প্রতি অঙ্কুশ তাঁর প্রিয় বাপ্পা দার সাথে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। সাথে ক্যপাশানে মনের দুঃ-খের কথা লিখেছেন,”আজ আমি সবথেকে কাছের একজন মানুষকে হারালাম।বাড়ির ভেতর বাবা মা যেমন খেয়াল রাখেন তেমনি একইভাবে বাড়ির বাইরে সেভাবে আমার খেয়াল রাখতেন। ১০ বছরের এই পথচলা কোনোদিন আমি ভুলবোনা। যেখানেই থেকো ভালো থেকো বাপ্পা দা”।

Back to top button