যেভাবে মাত্র একমাসে নিজের ভুড়ি ও চর্বি কমিয়ে ছিলেন আমির খান, রইল ভিডিও সহ!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- গোটা বলিউড ইন্ডাস্ট্রি তাকে চেনে মিস্টার পারফেক্ট নামে । কারণ তার প্রতিটি ছবিতে অভিনয় করার চরিত্রগু-লি এত নিপুণভাবে তিনি তুলে ধরেছেন সকলের সামনে যে নতুন করে আর বলার অপেক্ষা রাখে না তার সম্পর্কে । তার পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও কিন্তু তিনি সত্যিই মিস্টার পারফেক্ট । চেহারার দিক থেকে শিক্ষার দিক থেকে সচেতনতা দিক থেকে এবং একজন সচেতন নাগরিক থেকে তার মতন যদি পাওয়া সত্যিই মুশকিল ।কে বলুন তো? ঠিক ধরেছেন আমি এই মুহূর্তে আমির খানের কথা বলতে চলেছি ।

চাচা নাসির হুসেনের ‘ইয়াদোঁ কি বারাত’ ছবিতে একজন শিশুশিল্পী হিসাবে তার অভিনয় জীবন শুরু হয়। তবে পেশাগতভাবে তার অভিনয় জীবনের সূচনা হোলি ছবির মাধ্যমে। প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ছবি চাচাতো ভাই মনসুর খানের ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’। এই ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেতা হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান। ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মোট সাতবার মনোনয়ন পেলেও তিনি ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার জেতেননি। অবশেষে ১৯৯৬ সালে “রাজা হিন্দুস্তানি” ছবির জন্য তিনি ফিল্ম ফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান ।

তবে আমির খানের জনপ্রিয়তাকে একদম অবিকল এক রাখতে সাহায্য করেছিল যে সিনেমাটি সেটি ছিল থ্রি ইডিয়টস । মূলত ইঞ্জিনিয়ারদের এবং হোস্টেলে বা কলেজে কি ধরনের ঘটনা ঘটত সবকিছু নিয়ে তুলে ধরা হয়েছিল সেই ঘটনাটি । যার ফলে গোটা দেশে অধিকাংশ মানুষের মনে ধরেছিল সেই সিনেমাটি । এবং বলা বাহুল্য এর জনপ্রিয়তা এখনো ঠিক আগের মতনই রয়েছে । তার পাশাপাশি পুনরায় যে সিনেমাটি তার জনপ্রিয়তা আরো একধাপ এগিয়ে দিয়েছিল সেটি হল ‘দঙ্গল’। সেই ছবিতে আমির খানের শরীরের চরম রূপান্তর দেখা গিয়েছিল । অর্থাৎ একটি ছবিতেই কখনো তাকে মেদযুক্ত আবার কখনো মেদহীন ভাবে দেখা গিয়েছিল।

সম্প্রতি ইউটিউবে ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে সেখানে আমির খান নিজের মুখে স্বীকার করেছেন কিভাবে তিনি এই পর্যায়ের মধ্য দিয়ে পেরিয়ে ছিলেন । কেমন লেগেছিল তার অভিজ্ঞতা এবং তার পাশাপাশি তাকে কি কি ধরনের কাজকর্ম করতে হয়েছিল শরীরের এই ধরনের রূপান্তরের জন্য । সবকিছু তিনি তুলে ধরেন সেই ভিডিওর মাধ্যমে । এই মুহূর্তে সেই ভিডিওটি অনুরাগীদের কাছে ব্যা-পক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ।কারণ আমির খানের সম্পর্কে কৌ-তূহল সবসময় থাকে সকলের ।

Back to top button