বড় দুঃ-সং’বাদ, অকালে প্র’য়াত! ভে-ঙে প’ড়লেন অপরাজিতা আঢ্য, শো’কের ছায়া সিনেমা জগতে!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- কখনো কখনো কোনো কোনো মানুষ যখন আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যান । তখন শুধুমাত্র থেকে যায় তার সৃতিগুলো বা তার কাজকর্মগুলো যা আমাদের মনে তাকে বাঁচিয়ে রাখে বছরের পর বছর ধরে । এ ঘটনা প্রমাণ আমরা নিজের প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সবথেকে ভালো উপলব্ধি করতে পারব । তার পাশাপাশি উপলব্ধি করতে পারবো নিজের প্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রে । এবার সেই পরিস্থিতি শি-কার হলেন অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য। আগেকার যুগে মেয়েদের খুব জলদি বিয়ে দেয়া হতো । সেই মতো খুব অল্প বয়সে সংসারে পা রেখেছিলেন অভিনেত্রী ।

তারপর বাকি সাধারণ পাঁচটা মেয়ের মতো নেই সংসার জীবন যাপন করছিলেন । কিন্তু তারপরেই অভিনয় জগতের দিকে আসার তার ইচ্ছে প্রকাশ হয় এবং ক-ঠোর প-রিশ্রম করে তিনি অভিনয় জগতে পা রাখেন । আর তারপরে সৃষ্টি হয় ইতিহাস । কারণ সেই মুহূর্তে বাংলার অভিনয় জগতের এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল এই অভিনেত্রী শুধুমাত্র তার মিষ্টি হাসি এবং অভিনয় দক্ষতা দিয়ে । আজ এই অভিনেত্রীর রয়েছে বিশাল বড় ফ্যান ফলোয়ার্স বা অনুরাগী সংখ্যা ।এবার সেই অভিনেত্রীর জীবনে নেমে এলো শোকের ছায়া ।

মা-রা গে-লেন তার প্রিয় এই মানুষটি। বেশ কিছুদিন আগে মৈনাক ভৌমিকের পরিচালিত একটি ছবি যার নাম চিনি সেই ছবিতে অভিনেত্রীকে অভিনয় করতে দেখা যায় । তবে সম্প্রতি আরও একটি সিনেমাতে অভিনয় করতে চলেছে অপরাজিত যার নাম একান্নবর্তী ৫১ নয় এক অন্ন । এবং সম্ভবত এই ছবিটির শু-টিং শুরু হবে জুলাই মাস থেকে । সামনে পিতৃ দিবস পেরিয়ে গেছে এবং সেই পিতৃ দিবসের দিন নিজের বাবার যাকে তিনি ১৫ বছর বয়সে হা-রিয়ে-ছিলেন সে বাবার সাথে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন এবং লিখেছিলেন যে তখন তো এত ছবি তোলার চল ছিলনা। ছবি তোলা মানে একটা উৎসব।

আর মধ্যবিত্তদের সবার বাড়িতে ক্যামেরা থাকতো না। এটা আমার পাঁচ বছরের জন্মদিনে তোলা ছবি। ১৫ বছরে বাবা না ফেরার দেশে চলে গেলো। আর আমায় আশীর্বাদ করে গেলো প্রত্যেক মুহুর্তকে সত্যি করে তুলে ধরার ছবির জগৎ । ক-রোনা পরিস্থিতিতে আমাদের আশেপাশে শুন্য হয়ে গেছে সবকিছু । প্রিয়জনরা একের পর এক চলে গেছে না ফেরার দেশে । ঠিক তেমনই এবার না ফেরার দেশে চলে গেলেন অপরাজিত এর শ্বশুরমশাই । তবে ক-রোনা নয় বরং ব্রে-ন হে-মারেজ হ-য়েছিল তার ।

শৌ-চাগারে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার পর মাথায় আ-ঘাত লা-গে এবং ভিতরে ভিতরে তা প্রতিনিয়ত হেমারেজ হতে শুরু করে । সেদিন শ্বশুরমশাইয়ের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন ”শ্বশুর মশাই আজ আমাদের ছে-ড়ে না ফে-রার দে-শে চ-লে গে-লেন আমার আর বাবা বলে ডাকার কেউ রইলো না”। শো-কের ছা-য়া নেমে এসেছে তার জীবনে আরো একবার ।

Back to top button