কি কি সুবিধা পাবেন সরকারের নতুন ডিজিটাল শ্রম/লেবার কার্ড থেকে? জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- কেন্দ্র সরকারের কিছু বিশেষ প্রকল্প বা সুবিধা রয়েছে যা হয়ত অনেক সাধারন মানুষের অজানা। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা বলব এরকমই একটি ই শ্রম কার্ডের কথা। প্রসঙ্গত এই কার্ডের মাধ্যমে একজন শ্রমিক নানান ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন। শ্রমিকদের তথ্য সঞ্চয় করে রাখার জন্য এই কার্ড বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য বলতে শ্রমিকের নাম, কাজের অভিজ্ঞতা প্রভৃতি সম্পর্কে লেখা থাকে। শ্রম কার্ড হচ্ছে পুরো ভারতবর্ষের অসংগঠিত শ্রমিকদের নিয়ে গঠিত পোর্টাল। এটি হবে একজন শ্রমিকের স্বতন্ত্র পরিচয়।

এই কার্ডে লগইন করার সাথে সাথেই শ্রমিক এর সকল তথ্য সরকারের কাছে চলে যাবে। তবে এই কার্ডের জন্য শ্রমিকের নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা থাকা বাঞ্ছনীয়। প্রথমত শ্রমিকের বয়স অবশ্যই 16 থেকে 59 বছরের মধ্যে হতে হবে। একমাত্র শ্রমিক যদি আয়কর প্রদান না করে থাকেন তাহলে আবেদন করতে পারবেন এই কার্ডের জন্য। এবং অবশ্যই অসংগঠিত শ্রমিক হওয়া প্রয়োজন। এই কার্ড তৈরি করার জন্য বিশেষ কিছু ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। নিম্নে সেই ডকুমেন্টগুলি উল্লেখ করা হলো।

এই কার্ড তৈরি করতে গেলে সর্বপ্রথম প্রয়োজন হবে শ্রমিকের আধার কার্ড। এছাড়াও ব্যাংকের পাসবুক এবং ফোন নম্বর এর প্রয়োজন হবে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরাও এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও কৃষি শ্রমিক, শাকসবজি ও ফল বিক্রেতা, পরিযায়ী শ্রমিক, অটো বা রিক্সা চালক, খবরের কাগজ বিক্রেতা, আশা কর্মী বা নাপিত, গৃহকর্মী ,ধাত্রী বা দাই, ইটভাটার শ্রমিক, ছুতোর মিস্ত্রি, জেলে প্রভৃতি মানুষেরাও এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ই-কার্ডের বিশেষ কিছু সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। যদি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক কখনো দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তাহলে বীমা সুবিধা পাবেন এই কার্ড এর জন্য। এছাড়াও শ্রমিকের মৃ-ত্যু হলে বা পুরোপুরি অক্ষম হলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দুই লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। আংশিক ভাবে অক্ষম হলে এই টাকার অঙ্ক হবে এক লক্ষ।এছাড়াও এই কার্ড তৈরি করা থাকলে কেন্দ্র সরকারের সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন অসংগঠিত ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকেরা।

Back to top button