গরম ভাত দিয়ে আর কিছু লাগবে না যদি থাকে সর্ষে বাটা দিয়ে “ভোলা মাছ”, এর এই রেসিপি, খেতে হয় দারুণ টেস্টি, রইল পদ্ধতি!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- কথাতে আছেন বাংলা আমার সরষে ইলিশ চিংড়ি কচি লাউ ” কিন্তু এই মুহূর্তে বৃষ্টিপাত হলেও ইলিশ খাবার মত সামর্থ্য হয়তো অনেকের নেই । দেশের এই কঠিন অবস্থায় মানুষের দুবেলা দুমুঠো ভাত জুটবে না সে অবস্থায় দাঁড়িয়ে ইলিশ মাছ খাওয়া রীতিমতো বিলাসিতা ছাড়া কিছু নয় । অনেকের হয়তো সেই ধরনের সামর্থ্য রয়েছে কিন্তু অনেকের নেই। কিন্তু সবার কথা চিন্তা করেই আজকের এই প্রতিবেদন । কারণ আমরা চাইলেই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে পারি । তাই সরষে ইলিশ না করে সরষে ভোলা করতে পারি বাড়িতে ।

কিভাবে করবেন যেন আজকের এই প্রতিবেদনে। বাঙালির মাছ খেতে অত্যন্ত বেশি ভালোবাসে । তাই তো কথাটা আছে মাছে ভাতে বাঙালি। এবং গোটা পশ্চিমবঙ্গ যদি যেহেতু বাঙ্গালীদের বসবাস তাই পশ্চিমবঙ্গের বাজারে মাছের চাহিদা যে প্রবল পরিমাণে এমন টা আগে থেকে আশা করা যেতেই পারে । তাই তো সেরকম চিত্র আপনি নিজেও বুঝতে পারবেন যদি আবার মাছের বাজারে যান । দাম দর থেকে শুরু করে বড় বড় ছোট ছোট যেকোনো ধরনের মাছ নিয়ে বাড়ি ফিরছে প্রত্যেকটি বাঙালি ।

ভাতের পাতে যদি মাছের ঝোল মাছ ভাজা না থাকে তাহলে খাবার টা ঠিক জমে ওঠে না আমাদের। সরষে ভোলা বানানোর জন্য প্রথমে আপনাকে মাছ বাজার থেকে কিনে আনতে হবে । এবং সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে । তারপর সেগু-লির মধ্যে নুন হলুদ মাখিয়ে দিতে হবে কিছুক্ষণের জন্য ।এরপর কড়াই এর মধ্যে তেল গরম করতে হবে । তার মধ্যে দিতে হবে আগে থেকে ম্যারিনেট করে রাখুন মাছের টুকরোগুলো । তারপর বেশ ভাল করে ভেজে অন্য একটি পাত্রে তুলে রাখতে হবে । এরপর আপনি আপনাকে সরষে বেটে নিতে হবে ।

চাইলে আপনি দোকান থেকে সরষে বাটা রেডিমেট পাউডার কিনে আনতে পারেন ।তারপর তার মধ্যে জল যোগ করে সরষে বাটার মিশ্রন তৈরী করে রাখলেন । এরপর কড়াই এর মধ্যে দিয়ে দিলেন সরষে বাটা পেস্ট । এবং তার মধ্যে সামান্য পরিমান জল এবং সামান্য পরিমাণ নুন ।এই অবস্থায় আগে থেকে ভেজে রাখা মাছগুলোকে ।তার মধ্যে যোগ করে দিন জল । তারপর ঢাকা দিয়ে পাঁচ থেকে দশ মিনিট অপেক্ষা করুন তাহলেই সুস্বাদু সর্ষে ভোলা ।

Back to top button