একবার খেলে বারবার খাবেন! খুব সহজ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বানিয়ে দেখুন শামুকের এই দুর্দান্ত স্বাদের ইউনিক রেসিপি!

নিজস্ব প্রতিবেদন:- বিভিন্ন পার্বত্য জেলার বাজারগুলিতে কিন্তু খাবার হিসেবে শামুকের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক পরিমাণে। তবে আজকাল সমতলের মানুষের মধ্যেও কিন্তু শামুকের বিভিন্ন রেসিপি খাওয়ার চাহিদা বেড়েই চলেছে। যদি ভালোভাবে তৈরি করা হয় সেক্ষেত্রে কষা মাংসের স্বাদকেও হার মানিয়ে দিতে পারে শামুকের তৈরি এই রেসিপি। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন এবং আমরা পাঠকদের সাথে শেয়ার করে নিতে চলেছি শামুকের মসলাকারি রেসিপি। আপনারা যারা আগে এই রেসিপিটি তৈরি করে খেয়েছেন বা বানাতে জানেন তারা নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন এটি কতটা সুস্বাদু। চলুন তাহলে আর দেরি না করে আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনটি শুরু করা যাক।

  • শামুকের মসলা কারি রেসিপি:

১) প্রথমেই আপনাদের বাজার থেকে ভালো শামুক সংগ্রহ করে তা বাড়িতে এনে জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। একটি পাত্রের মধ্যে শামুকগুলিকে নিয়ে গ্যাস অন করে তার উপরে বসিয়ে দিতে হবে। এর উপরে সামান্য লবণ ছড়িয়ে দিন। তারপর এর মধ্যে আপনাদের জল দিয়ে দিতে হবে এবং শামুকগুলিকে ভালো করে জলে ডুবিয়ে দিতে হবে। জল ফুটতে শুরু করলে শামুকগুলিকে অন্য একটি পাত্রে তুলে নিন।

অথবা ওই পাত্র থেকেও ধীরে ধীরে আপনারা জল বের করে নিতে পারেন। এবার আরো একবার শামুকগুলিকে আপনাদের ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিতে হবে। দেখবেন এরপর এর ভেতরের মাংশল অংশটা সহজেই বাইরে বেরিয়ে আসবে। হালকা করে চাকুর সাহায্যে টেনে এটাকে বের করে ফেলুন।

এর মধ্যে কিছুটা পরিমাণ খনিজ লবণ আর হলুদ গুঁড়ো দিয়ে দিন। তারপর এই দুটি উপকরণ এর সাথে শামুক ভালো করে মেখে নিতে হবে।

২) দ্বিতীয় ধাপে আবারও এই লবণ আর হলুদ মাখানো শামুক গুলিকে ভালো করে ২ বার জলে ধুয়ে সেই জলটাকে ছেঁকে ফেলে দিন। আপনাদের প্রয়োজন মতন এবারে মসলা তৈরি করে নিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে আদা, রসুন, দারচিনি থেকে শুরু করে আরো অনেক কিছু। এই উপকরণ গুলিকে আপনাদের ভালো করে মিক্সিতে বেটে নিতে হবে। প্রথমবার শুকনো অবস্থাতেই বাটবেন তারপর সামান্য জল দিয়ে আরো একবার বেটে নেবেন।

এবার আপনাদের নিয়ে নিতে হবে টমেটো কুচি, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি। কড়াইতে পরিমাণ মতন রান্নার তেল দিয়ে এই তিনটি উপকরণকে একসঙ্গে ভেজে নিন।

৩) কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নিয়ে এর মধ্যে আপনাদের শামুকগুলিকে দিয়ে দিতে হবে। এবার এর মধ্যে আপনাদের গুঁড়ো মসলা যোগ করে দিতে হবে। খনিজ লবণ, আন্দাজ মতো হলুদ গুঁড়ো এর মধ্যে যোগ করে দিন। এবার আদা, রসুন ,দারচিনি সহযোগে যে পেস্ট তৈরি করে রেখেছিলেন সেটা কেউ এর মধ্যে দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।

এভাবে মশলাটি কিছুক্ষণ কষিয়ে নেওয়ার পর দেখবেন এখান থেকে তেল ছাড়তে শুরু করে দিয়েছে। তখন এর মধ্যে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। সামান্য জল এই সময় দিতে পারেন তারপর আরো দুই থেকে চার মিনিট ভালো করে আপনাদের রান্নাটিকে ফুটিয়ে কড়াই থেকে গরম গরম নামিয়ে নিতে হবে।

গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সাথে এই রেসিপিটি আপনারা সহজেই পরিবেশন করতে পারেন।

Back to top button