নারীদের সংখ্যা বেশি হয়ে যাওয়ায় ভারত-বাংলাদেশ থেকে পুরুষ নিতে চায় এই 6 টি দেশ! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- সমাজে নারী-পুরুষের ভারসাম্য থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। একটি সুস্থ স্বাভাবিক সমাজে নারীর সংখ্যা এবং পুরুষের সংখ্যা যদি না ঠিক থাকে তাহলে ভারসাম্যহীন হবে সমাজ । আর সমাজ ভারসাম্যহীন হলে আসতে পারে অনেক বড় বড় সমস্যা । আমরা সাধারণত কোন দেশের বা কোন জায়গার কোন জিনিসের কমতি হলে তা অন্য জায়গা বা অন্য দেশ থেকে আমদানি বা রপ্তানি করতে দেখি। কিন্তু আপনি কি কখনো শুনেছেন যে দেশে মেয়ের সংখ্যা বেশি হওয়ার জন্য পুরুষ যোগান দিতে হচ্ছে অন্য দেশ থেকে?

এমনটাই ঘটেছে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে । ইউরোপের স্বনামধন্য কয়েকটা দেশ আছে যেগুলোতে নারী ও পুরুষের শতকার হারের মধ্যে অনেক গরমিল রয়েছে। রাশিয়া, লাটভিয়া, বেলারুশ, লিথুনিয়া, আর্মেনিয়া, ইউক্রেন এই দেশগুলোতে পুরুষ থেকেও মহিলার সংখ্যা বেশি।লাটভিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৮.০। লিথুনিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৭.২।

আর্মেনিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.৫। রাশিয়ায় প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.৩। বেলারুশে প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.২। ইউক্রেনে প্রতি ১০০ জন পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ১১৫.৮৭। এইসব অঞ্চলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা আরো ১১ বছর বাঁচে। তা ছাড়া দেখা যায় যে বয়সে মেয়েরা সংসার তৈরি করার জন্য প্রস্তুত হয় সে বয়সে ছেলেরা মারা যায় বা আ-ত্মহ-ত্যা করে ।

এই ভারসাম্যহীনতার প্রকৃষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় লাটভিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা ৫০% বেশী।সমাজবিজ্ঞানী বাইবা বেলা বলছেন, এইসব দেশগুলোতে মেয়েরা যে বয়সে সংসার গড়ার জন্য তৈরী হয় সেই বয়সে দেখা যায় ছেলেরা হয় মা-রা যাচ্ছে নয়তো আ-ত্মহ-ত্যা করছে। আর এই আত্মহত্যার সংখ্যা হচ্ছে তাদের স্বাভাবিক মৃত্যুর চারগুণ।নারী-পুরুষের ভারসাম্যহীনতা । তাই সেই সব অঞ্চলে বা এইসব দেশে সামাজিক ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য অন্য দেশ থেকে বিপুল পরিমাণে পুরুষ রপ্তানিতে চাহিদা বেড়েছে ।

Back to top button