মাত্র বারো বছর বয়সের রিকশা চালক বালকের ইংলিশ বলার দক্ষতা দেখলে আপনিও অ’বাক হবেন, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- প্রতিভা কখনো লুকিয়ে থাকে না । নিজের আ-ত্ম-প্রকাশের পর সে নিজেই খুঁজে নিতে পারে। এই ঘটনার প্রমাণ আমরা এর আগে বহুবার দেখেছি এবং ভবিষ্যতে যে দেখবো সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই । তার পাশাপাশি আমরা আমরা নিজেদের শিক্ষিত বলে থাকি । কিন্তু কখনও কখনও আমাদের থেকেও বেশি পরিমাণে শিক্ষিত হয়ে থাকে আসলে যারা কোনদিন স্কুলের গন্ডি পেরোননি । পারিবারিক অবস্থার কারণে তারা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেনি। অথচ সেই সমস্ত মানুষগুলো আমাদের থেকেও বেশি শিক্ষিত অধিকমাত্রায় ।

মানুষ যে শুধুমাত্র পাঠ্যবই পড়ে শিক্ষিত হতে পারে এমন তা কিন্তু নয় । অবশ্য তার মধ্যে থাকতে হয় মানবিকতা । মানবিকতা এবং পাঠ্যবইয়ের থেকে শিক্ষা নিয়েই তৈরি হয় মানুষ । কিন্তু কখনও কখনও এই বিরল ঘটনা দেখা যায় । ঠিক সেরকমই ইউটিউবে সম্প্রচারিত হয়েছে একটি ভিডিও । যেখানে এমন বেশ কয়েকজনের ভিডিও তুলে ধরা হয়েছে যারা কোনদিন স্কুলের গ-ন্ডি পেরোননি । তারা অনর্গলভাবে বলে যাচ্ছে ইংরেজিতে কথা। শুধুমাত্র ইংরেজির নয় তার পাশাপাশি তামিল-তেলেগু ফরাসি জার্মান বিভিন্ন ভাষায় তারা রপ্ত । আজকের প্রতিবেদন তাদেরকে নিয়ে।

ভারতবর্ষের একটি রাজ্যের সিগনালে ময়ূরের পালক বিক্রি করে বছর ১০ কি ১২ এর এক ছেলে । বিভিন্ন মানুষের সংস্পর্শে আসে সে ময়ূরের পালক বিক্রি করতে গিয়ে । কখনো ফরাসি কখনো হিন্দি কখনো বাঙালি কখনো আবার অন্য কোন ভাষার মানুষের সাথে মিশে সে । এবং সেই মতো তিনি রপ্ত করে ফেলেছেন বিভিন্ন ভাষা । ভিডিওটি দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে অনর্গলভাবে সে বলে চলেছে ইংরেজি । তার পাশাপাশি বলে চলেছে জার্মানি ফ্রান্সের ভাষা রীতিমত অ-বাক ক-রে তু-লেছেন নেটদুনিয়া নেটিজেনদের ।

এর পাশাপাশি এই ভিডিওর পরবর্তী দৃশ্য দেখানো হয়েছে যে একজন রিকশাচালক এর গল্প । তিনি কোন শিক্ষিত মানুষ নয় । অর্থাৎ স্কুলের গ-ন্ডি পাস করেনি । এমনকি স্কুল কী জিনিস সেটাই জানে না । সেই মানুষটি পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিল রিকশাচালক । কিন্তু বাংলার পাশাপাশি সে রপ্ত করে ফেলেছে ইংরেজি পাঞ্জাবি এবং তেলেগু ভাষা। এই ঘটনাটি রীতিমত অ-বাক করেছে সাধারণ জনগণকে । মহারাষ্ট্রের এক বালক বয়স খুব বেশি হলে দশ বছর হবে। তিনি তাঁর পরিবারের কথা তুলে ধরেছে সম্পূর্ণ ইংরেজি ভাষায় । এবং সেখানে নেই কোন ভুল । এমনকি তার সেই ভাষার মধ্যে স্বচ্ছতা দেখে অ-বাক হ-চ্ছেন বহু পণ্ডিত মানুষরা।

Back to top button