আর মাত্র 79 বছরের মধ্যেই পৃথিবী পরিণত হবে একটি ভিনগ্রহে! সতর্কতা রাষ্ট্র সংঘের বিজ্ঞানীদের!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আমাদের এই প্রানে পৃথিবীর হাতে খুব কম সময়ে রয়েছে । আর অল্প সময়ের মধ্যেই পৃথিবী সম্পূর্ণ ভিন্ন গ্রহে পরিণত হতে চলেছে । না ধ্বং-স হবে না । কিন্তু সেখানে জীবিত থাকবে না কোন প্রাণের । এমনটা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পরিবেশবিদ এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিশেষজ্ঞরা । কি জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা । তাদের হঠাৎ এই ধরনের চিন্তাভাবনা উদয় হলো মনে এর থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় কি সমস্ত কিছু জানোনা থাকবে আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে তা সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পড়ার অনুরোধ রইল ।

আমরা সভ্যতার হাত ধরে উন্নত হচ্ছে কিন্তু একবারও ভাবছি না যে উন্নত হতে গিয়ে পরিবেশে ঠিক কতখানি ক্ষতি আমরা করছি । এখনকার যুগে আমাদের আশেপাশের পরিবেশ গড়ে উঠেছে বিভিন্ন কল-কারখানা । যেখান থেকে প্রতিনিয়ত নির্গত হওয়ার ধোঁয়া না বায়ু দূষণ করে চলেছে । বায়ুতে বেড়েই চলেছে কার্বন ডাই অক্সাইড কার্বন মনোক্সাইড নাইট্রাস অক্সাইড এর মতন বিষাক্ত গ্যাস গুলি যা মানুষের শরীর এ ওতপ্রোতভাবে ক্ষতি করছে । এই ঘটনা ভালো টের পাচ্ছে দিল্লির বাসিন্দারা । তবে শুধুমাত্র বায়ুদূষণ নয় তার পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে মৃত্তিকা দূষণ জল দূষণ ও কিন্তু এর অন্যতম কারণ।

বিজ্ঞানীরা বহুদিন আগেই বলেছিল যে ক্রমশ পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে । যার ফলে সুমেরু এবং কুমেরু বরফ গলতে শুরু করেছে । যদি এতে লাগাম না টানা যায় তাহলে পৃথিবীতে হয়ত মুষ্টিমেয় কয়েক টি প্রাণী বা প্রাণের অস্তিত্ব থাকবে । বাকি সবকিছু তলিয়ে যাবে সমুদ্রগর্ভে । শুধুমাত্র তাই নয় সমুদ্রের জল দূষিত হচ্ছে এমনকি দূষিত হচ্ছে ছোটখাটো নদী এবং জলাশয় জল । গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রতি আমাদের অতিরিক্ত নজর রাখা দরকার । কারন এই অল্প সময়ের মধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা অত্যধিক মাত্রায় বাড়িয়ে তোলে ।

আর ৭৯ বছরের মধ্যে পৃথিবী একটি ভিনগ্রহে পরিণত হতে চলেছে । ২১০০ সালে পৃথিবী নাকি বসবাসের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলবে । তার কারণ গ্রিন হাউস গ্যাসের ভয়াবহ নির্গমন। গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনের ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা যথেষ্ট বৃদ্ধি পাবে। ‌ এছাড়াও এর ফলে ঘনঘন দাবানল দেখা যাবে পৃথিবী জুড়ে। খরা, বন্যার সংখ্যা, ঝড়, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি আশ্চর্যজনক ভাবে বেড়ে যাবে , এর ফলে পৃথিবী তার বসবাসের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলবে। এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিজ্ঞানীরা । এর ফলে রীতিমতো আতঙ্কে মানুষজন।

Back to top button