লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে আসলো নতুন নিয়ম, লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে জরুরী ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ফর্ম ফিলাপ নিয়ে জারি নয়া বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদন :- অবশেষে অনেক পরিশ্রম এবং পরিকল্পনা করার পর রাজ্যের বুকে বাস্তবায়িত হতে চলেছে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প । আমরা জানি যে বিধানসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা করেছিলেন যে এই রাজ্যের মা বোনেদের জন্য সরকারি অনুদানের ব্যবস্থা করবেন । সেই মতো জয়লাভ করার পর তিনি তার কথা রেখেছেন । রাজ্যের বুকে বাস্তবায়িত হতে চলেছে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প ।

এবং প্রকল্পের সাধারণ মানুষের উপকৃত হবে সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই । লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প আর কয়েক দিনের মধ্যেই রাজ্যের বুকে ছড়িয়ে পড়তে চলেছে । এর ফলে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মহিলারা উপকৃত হবে সে ব্যাপারে আর কোনো সন্দেহ নেই । কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল যে যদি কারো কাছে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড না থেকে থাকে তাহলে কি তারা আবেদন করতে পারবে না ।

কারন বেশ কিছুদিন আগে নির্দেশিকা জানানো হয়েছিল লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকতে হবে কিন্তু যাদের নেই তাহলে কি তারা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে ? একদমই না কিভাবে তারা করবেন তা জানাবো আজকের এই প্রতিবেদনে । পশ্চিমবঙ্গ শিশু সুরক্ষা এবং নারী কল্যাণ দপ্তর থেকে এই প্রকল্প সূচনা করা হয়েছিল এবং নির্দেশিকা অনুসারে জানানো হয়েছিল যে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা বাঞ্ছনীয় ।

কিন্তু আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা হয়তো দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার পরও স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হাতে পায়নি তাদের ক্ষেত্রে বা যে সমস্ত মানুষের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নেই তারা কিন্তু লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য অতি অবশ্যই আবেদন করতে পারে । তার জন্য একটি বিশেষ আবেদনপত্র আপনাকে লিখতে হবে । যে আবেদনপত্র তে আপনাকে জানাতে হবে যে কেন আপনার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হয়নি এবং আপনার আর্থিক অবস্থার কারণ তারপর সেই পত্রটি আবেদনপত্রের সাথে যুক্ত করে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে জমা করতে হবে ।সে ক্ষেত্রে আবেদনকারী বসতি অবশ্যই 25 বছর থেকে 60 বছরের মধ্যে হতে হবে ।

লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প নিজেদেরকে নিযুক্ত করার জন্য কি কি থাকা বাঞ্ছনীয় ।

১)প্রথমত যারা আবেদন করবে তাদেরকে স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এই রাজ্যের ।

২)আবেদনকারীর বয়স অতি অবশ্যই ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে ।

৩)আবেদনকারীকে অবশ্যই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা বাঞ্ছনীয় ।

৪) আবেদনকারীর একটি সিঙ্গেল ব্যাংক একাউন্ট দরকার পড়বে । যার সাথে আধার কার্ড সংযুক্ত করা আছে ।

৫)সরকারি কর্মচারী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কেন্দ্রের ও রাজ্যের, কোনও স্বশাসিত সংস্থা, সরকারি নিয়ন্ত্রিত কোনও সংস্থা, পঞ্চায়েত, মিউনিসিপালিটি, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, সরকারি স্কুল গুলির ক্ষেত্রে বা যদি কেউ নিয়মিত বেতন বা পেনশন পান তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না।

৬)এক্ষেত্রে যদি আবেদনকারীর স্বাস্থ্যসাথী বা আধার কার্ড না থাকে তাঁকে প্রথমে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হবে। সঙ্গে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বা আধার কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

Back to top button