কখন যমজ সন্তানের জন্ম হয়, ইচ্ছা করলেই কি যমজ সন্তান নেওয়া যায়, জানুন!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুভূতি কতখানি মিষ্টি ও মধুর হতে পারে সেটা একমাত্র মায়েরা বলতে পারেন । এবং প্রতিটি মেয়েই চায় এই অনুভূতি একবার না একবার পেতে । কিন্তু কখনও কখনও আমরা দেখেছি যে আমাদের আশেপাশে এমন অনেকে আছে যাদের যমজ সন্তানের জন্ম হয় ।যমজ সন্তান দেখতেও বেশ কিউট হয় । কখনো কখনো আলাদা লিঙ্গের যমজ সন্তান হয়ে থাকে । একদমই ঠিক ধরেছেন দুটি ভিন্ন লি-ঙ্গের যমজ সন্তান হয়ে থাকতে পারে এবং এই যমজ সন্তান সংক্রান্ত অনেক ধরনের অনেক প্রশ্ন সাধারণ মধ্যবিত্ত বা সাধারণ মানুষের মনে থেকে থাকে । এবং তাদের মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যে প্রশ্নটি যেটি বারবার উঠে আসে সেটি হল যে যমজ সন্তান কিভাবে হয় ?

চাইলেই কি যমজ সন্তান জন্ম দেওয়া যেতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর আজকের এই প্রতিবেদনে । প্রতিটি মেয়ের প্রশ্ন থাকে যে যমজ সন্তান কিভাবে সম্ভব । চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনেক ধরনের উন্নত হয়েছে । যার ফলে নিঃ-স-ন্তান দম্পতিরা যদি চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান গ্রহণ করে তাহলে যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি থেকে থাকেন। এই যমজ সন্তান মূলত দুই প্রকার হয় আইডেন্টিক্যাল আর নন আইডেন্টিক্যাল অর্থাৎ একই লি-ঙ্গের যমজ সন্তান এবং ভিন্ন লি-ঙ্গে যমজ সন্তান । এবার আপনাকে প্রথমে জানানো হবে যে একই লি-ঙ্গের যমজ সন্তান কিভাবে সম্ভব হয় ।

একটি নিষিক্ত ডি-ম্বাণু প্রথমে দুইটি পৃথক কোষে বিভক্ত হয়। পরবর্তীতে প্রতিটি কোষ থেকে একেকটি শিশুর জন্ম হয়। এভাবেই অভিন্ন যমজ শিশুর জন্ম হয়। এখানে দুটি কোষ যেহেতু পূর্বে একটি কোষ ছিল, তাই এদের সব জীন একই হয়ে থাকে। একারণে এরা দেখতে অভিন্ন হয় এবং একই লি-ঙ্গের হয়। এবার আপনাদের জানিয়ে রাখি নন আইডেন্টিক্যাল অর্থাৎ ভিন্ন লি-ঙ্গের যমজ সন্তান কিভাবে হয় । মায়ের দেহে সাধারণত একই সময়ে একটি মাত্র ডি-ম্বাণু দুটি ডি-ম্বাশয়ের যে কোনও একটি থেকে নি-র্গত হয়। যদি দুটি ডি-ম্বাশয় থেকেই একটি করে ডি-ম্বাণু একই সময়ে নির্গত হয়,

তবে ও-ভ্যু-লেশন পি-রিয়ডে তার শরীরে মোট দুটি ডি-ম্বাণু থাকে। এসময় মিলন হলে পুরুষের শু-ক্রাণু উ-ভয় ডি-ম্বাণুকেই নি-ষিক্ত করে। এভাবেই নন-আ-ইডে-ন্টিক্যাল টুইন শিশুর জন্ম হয়। এসব শিশু সবসময় একই লি-ঙ্গের নাও হতে পারে এবং তারা দেখতে ভিন্ন হয়। এই যমজ সন্তান জন্ম গ্রহণের পূর্বে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা যায় যেগুলো সাধারণ লক্ষ্যের লক্ষ্য পূরণে অনেকখানি আলাদা যেমন ধরুন গ-র্ভাব-স্থার প্রথম দিক থেকে বেশি বেশি মাত্রায় শ-রীর খা-রাপ হতে শুরু করে অ-সুস্থ জ-নিত কারণে ভু-গতে পারেন গ-র্ভব-তী মহিলা। তাহলে অনুমান করা যেতে পারে যে তার গর্ভে যমজ সন্তান রয়েছে । পরিবারের কারো যদি যমজ সন্তান আগে হয়ে থাকে তাহলে সেই পরিবারের কোনো সদস্য সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও থেকে থাকে । তার পাশাপাশি পেটের আয়তন যদি সাধারণের তুলনায় অনেক খানি বড় হয় তাহলে তার পেটে যমজ সন্তান থাকতে পারে বলে অনুমান করা যেতে পারে ।

Back to top button