ফের দুর্যোগের কালো মেঘ বাংলার ওপরে! জলে উপচে পড়ছে ব্যারেজগু’লি! চ’রম বি’পর্যয়ের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- পুজোর আগেই সম্ভবত বড় বিপদের সম্মুখীন হতে চলেছে বাংলা।প্রসঙ্গত বিগত প্রায় সপ্তাহ খানেক সময় ধরেই বাংলার আকাশে ক্রমাগত নিম্নচাপের কালোমেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। যার ফলস্বরূপ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বাঁকুড়া, বীরভূম, আসানসোল প্রভৃতি জায়গার একাধিক এলাকা প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র তাই নয় বেশ কয়েকটি জায়গায় বাড়ি থেকে শুরু করে রাস্তা সবেতেই কোমরসমান জল দাঁড়িয়ে রয়েছে।

অফিস হোক বা বাড়ি সব জায়গাতেই বেশ অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। এমতাবস্থায় সাধারণ মানুষের সামনে আরো বিপদ ঘনিয়ে এলো। প্রসঙ্গত অতিবৃষ্টির কারণে ক্রমাগত হুহু করে জল ছাড়ছে রাজ্যের ব্যারেজ গুলি। ইতিমধ্যেই পাঞ্চেত এবং মাইথন জলাধার থেকে প্রায় এক লক্ষ কিউসেক জল ছাড়ছে ডিভিসি। অপরদিকে প্রায় একই অবস্থা দুর্গাপুর ব্যারেজের ক্ষেত্রেও। এই ব্যারেজ থেকে প্রায় ২.২১ লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। মুকুটমণিপুর জলাধার থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে।

এই জলাধার গুলি থেকে জল ছাড়ার ফলে আবারও পুজোর আগেই প্লাবন দেখা দিতে পারে হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, বাঁকুড়া, দুই মেদিনীপুর প্রভৃতি জায়গায়। বিপুল পরিমাণ জলরাশি দামোদর ধরে নেমে আসার ফলে আবারো আশঙ্কাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।ইতিমধ্যেই হলুদ সর্তকতা জারি করে ডিভিসি ১ লক্ষ ২৫ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া শুরু করে দিয়েছে। যে হারে ডিভিসি থেকে জল ছাড়া হচ্ছে তাতে বেশ আশঙ্কার মধ্যে পড়ে গিয়েছেন সকলে।

শুধু জল ছাড়াই নয় গত প্রায় মাস চারেক সময় ধরে রাজ্যজুড়ে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার ফল ইতিমধ্যেই ভোগ করছে রাজ্যবাসী। এরমধ্যে ব্যারেজের ছাড়া জল কতটা বিপদ ডেকে আনবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বর্তমানে দামোদরের যা অবস্থা তাতে আরও জল ছাড়া হলে বেশ কয়েকটি গ্রাম সম্পূর্ণরূপে জলের তলায় চলে যাবে তাতে সন্দেহ নেই।ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্লাবন দেখা দিয়েছে। সেইসব অঞ্চলের মানুষ অতি কষ্টে জীবন যাপন করছেন। কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যে ডিভিসি কি সিদ্ধান্ত নেবে তাই এখন লক্ষ্য রাখার বিষয়।

Back to top button