পরিক্ষায় পাস করতে হলে যেতে হয় ম্যাডামের সাথে বি-ছানায়, এ গল্প হার মানাবে বাস্তবকেও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- যদি চাও ভালো ফল করতে পরীক্ষায় তাহলে একা মার ঘরে এসো । ঠিক এভাবে শারীরিক সম্পর্ক করতেন এক শিক্ষিকা । আমরা প্রত্যেকেই ভালো ফলাফল রেজাল্ট করতে চাই । কারণ পড়াশোনা করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে এই ধরনের একটা প্রবাদ বাক্য ছোটবেলা থেকে আমাদের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়ে থাকে । যার ফলে মনের মধ্যে একটা চিন্তা ধারা বেড়ে ওঠে সেটি হল যে যদি আমি পড়াশোনা করি তাহলে আগামী দিনে বা ভবিষ্যতে টাকা উপার্জন করতে পারব না। জীবনে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারব না । কাজেই পড়াশোনা করোটা ভীষণ জরুরী।

এই পড়াশোনা করার জন্য দিনরাত চলে পরিশ্রম এবং কখনও কখনও বিফলতা মিললেও মাঝেমধ্যেই মেলে সফলতা । এরকম আমাদের দেখা বহু মানুষ জন আছে যারা শুধুমাত্র দিনরাত এক করে পড়াশোনা করে দিয়েছে বলে খুব অল্প সময়ে ভালো ফলাফল করতে পেরেছেন । কিন্তু সম্প্রতি যে ঘটনাটি আপনাদেরকে বলতে চলেছি সেটি বাকি সকল ঘটনা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা । এবং এটি একটি ন-ক্কার জ-নক ঘ-টনা তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

স্কুল বা কলেজে পড়াকালীন অবস্থায় প্রত্যেকেই চায় তাদের রেজাল্ট বাকি সকলে থেকে একটু ভালো হোক । অনেকে আবার স্যারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠে যদি তারা কিছুটা ভালো নাম্বার পায় অন্যের থেকে । কিন্তু এ এক আলাদা ঘটনা সেখানে দেখা যাচ্ছে যে এক স্কুলের শিক্ষিকা তার ছাত্রদেরকে ভালো রেজাল্টের নাম করে বাড়িতে ডাকতো এবং তাদের সাথে শা-রী-রিক স-ম্পর্কে লি-প্ত হও-য়ার চে-ষ্টা ক-রত । শুধু মাত্র এখানেই শেষ নয় তার পাশাপাশি ছাত্র দের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট যে সমস্ত ছবি পাঠাবেন মাঝ রাতে তা বর্ণনা যোগ্য নয়।

বছর চল্লিশ থেকে এই শিক্ষিকার কলম্বিয়ার একটি শিক্ষাক্ষেত্রে কর্মরত । এবং ব্রিটিশ মাধ্যমে সংবাদপত্রে একটি প্রকাশিত আর্টিকেলে এ ঘটনা তুলে ধরা হয়েছিল অবশ্য ঘটনাটি জানাজানি এরপর ইওকাসতাকে ৪০ বছরের কা-রা-দ’ণ্ড দিয়েছে দেশটির আ’দা-লত। আমাদের প্রত্যেকের এই ধরনের ঘটনা থেকে বিরত থাকা দরকার নইলে ভবি-ষ্যৎ পু-রোপুরি অ-ন্ধকার ।

Back to top button