এই পদ্ধতিতে রুটি বানালে হবে নরম তুলতুলে ও ফুলকো! রইল পদ্ধতি।

নিজস্ব প্রতিবেদন:-মনের পছন্দ মতন একটা তরকারির সাথে রুটি খাওয়ার ইচ্ছে আমাদের কমবেশি প্রত্যেকের থেকে থাকে । তিনবেলা ভাত খাবার পরিবর্তে অনেকেই রুটি খেয়ে থাকে । যেহেতু রুটির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে তাই সুগার কিংবা ডায়াবেটিস রোগীরা অনেক সময় রুটি খেয়ে থাকেন।

কিন্ত অনেকসময় দেখা যায় যে রুটি গুলি শক্ত হয়ে যায় ।সে ক্ষেত্রে খেতে প্রচন্ড পরিমানে অসুবিধা হয় ।কিভাবে রুটি মাখলে শক্ত হবে না তা জেনে নিন এক নজরে ।তার পাশাপাশি এমন কিছু নিয়ম রয়েছে যে পদ্ধতিতে রুটি সংরক্ষণ করা খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত নরম থাকে।

প্রথমে পরিমান মতো আটা নিন। এরপর নির্দিষ্ট পরিমান জল উষ্ণ গরম করে নিন। আটার সাথে নির্দিষ্ট পরিমান তথা এক চিমটি লবন এবং এক টেবিল চামচ তেল নিয়ে নিন। এবার আটা টির মধ্যে উষ্ণ গরম জল টি ঢেলে দিন।এবার আটাটি ভালো করে মাখুন। এক্ষেত্রে আপনার হাতে যদি আটা মাখার সময় লেগে না থাকে সেক্ষেত্রে বুঝবেন আটা মাখাটি সঠিক হয়েছে।

ওই মাখা আটাটি কিছু দিয়ে চাপা দিয়ে কমকরে ১৫-২৫ মিনিট রেখে দিন। তবে এর বেশীক্ষন রাখলে আটা খুবই নরম হয়ে যাবে। এরপর একেবারে ছোট্ট ছোট্ট লেচি করেনিন। লেচি গুলিকে একেবারে পাতলা করে বেলুন। বেলা মোটা হলে তা ফুলবেনা। এরপর গরম তাওয়াই সেকে নিন।

এছাড়াও যেভাবে আপনি রুটি কে নরম রাখতে পারবেন সেগুলি হল
ভুষিযুক্ত আটা ব্যবহার করুন।

আটা মাখতে সবসময় গরম জল ও তেল ব্যবহার করুন। ঠান্ডা জল দিয়ে কখনোই রুটি মাখবেন না।

দীর্ঘক্ষণ পর রুটি খেলে তা ফয়েল পেপারের মধ্যে রাখতে পারেন।

যদি খাওয়ার অনেকক্ষন আগে রুটি বানান সেক্ষেত্রে গরম দুধ দিয়ে আটা মাখতে পারেন।

রুটি গুলি অল্প ভেজা কাপড়ে মুড়িয়ে রাখতে পারেন।

রুটি ভাজার তাওয়াটি যখন রুটি করা শেষ করবেন তখন ঐ তাওয়াতেই সামান্য জল নিয়ে তাতে রুটিগুলি হালকা ভিজিয়ে তুলে রাখতে পারে। এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে অবশ্যই আপনাদের রুটি নরম হবে অনেকখানি।

Back to top button