হাসপাতালে মৃ-ত্যু’র সাথে ল-ড়া’ই করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়, পাশে নেই কেও, ভাইরাল হলো ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- দেশের যে ভ-য়া-বহ পরিস্থিতি এই মত অবস্থায় দেশের অধিকাংশ মানুষ এইটি ভালভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে যে এই ম-হা-মা-রী গরিব বড়লোক উচ্চবিত্ত মধ্যবিত্ত দেখে আ-ক্র-মণ করে না । সকলকেই আ-ক্র-মণ করছে । এর প্রমাণ আমরা পেয়েছি বহুবার কারণ ক-রোনার ক-বলে পড়ে প্রা-ণ হা-রিয়েছে বহু তাবড় তাবড় কিংবদন্তী অভিনেতা অভিনেত্রীরা তবে আরও একবার বাংলার অভিনয় জগতে চিন্তিত নেটিজেনরা। কারণ করোনা থাবা বসিয়েছে জনপ্রিয় পুরনো যুগের অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়ের জীবন এ ।

সন্ধ্যা রায় একজন ভারতের পশ্চিম বঙ্গের বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের একজন অভিনেত্রী। তিনি ১৯৬০ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত রোমান্টিক বাংলা সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন। অভিনেত্রীদের পথিকৃৎ হিসেবে, তিনি সফলভাবে বিভিন্ন চরিত্র এবং সহ-অভিনেত্রী যেমন ভাবী হিসেবে অভিনয় করেন। তিনি সহ-অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম সিনেমায় কাজ করেন তাপস পালের সাথে দাদার কীর্তি অথবা শ্রীমান পৃথ্বীরাজ সিনেমায়।তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র হল “মামলার ফল” যেখানে সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় অভিনয় করেছিলেন ।

তার অসামান্য অভিনয় কৌশলের তিনি অনায়াসে যে কোন সিনেমার চরিত্রের সাথে সহজেই খাপ খাওয়াতে পারতেন, তার সমালোচক কর্তৃক প্রসংশিত সিনেমাগুলোর মধ্যে “সত্যজিত রায়ের” “অশনী সংকেত” এবং তরুণ মজুমদারের “থাগিনি” এবং পুরোদস্তুর বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র যেমন “বাবা তারকনাথ”। তবে এখন আধুনিক সময়ে তাকে আর বেশি বড় পর্দায় দেখা যায় না । নিজেকে ঘরব-ন্দি করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী ।সম্প্রতি জানা যাচ্ছে যে তার শা-রী-রিক অ-সু-স্থতার জন্য তিনি ভ-র্তি র-য়েছেন বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হা-স-পা-তালে ।

শ-রীরে ব্য-থা জ্ব-র এবং শ্বা-সক-ষ্ট জ-নিত স-মস্যা থাকার জন্য তাকে বাড়িতে ফেলে রাখা হয়নি বরং সরাসরি ভর্তি করে দেওয়া হয়েছে হা-স-পা-তালে । সেখানে এখন চি-কি-ৎসাধীন রয়েছেন সন্ধ্যা রায় । ল-ড়াই ল-ড়ছেন জীবনের সাথে । ক-রোনার উ-পসর্গ তার শরীরে থাকার জন্য তাকে আপাতত আ-ই-সো-লেশনে রাখা হয়েছে । এমনটাই সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে । এই খবর প্রকাশ সে আসাতে তার অনুগামীরা তার সুস্থতা কামনা করছেন । পুনরায় তিনি যেন আবার খুব শিগগিরই সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন তার জন্য ইতিমধ্যে প্রার্থনা শুরু করে দিয়েছেন অনেকে ।

Back to top button