৭৩ বছর বয়সেও কখনও সাবান মাখেন না হেমা মালিনী, বরং এই ঘরোয়া টোটকাই হলো তার উজ্জ্বল ত্বকের আসল রহস্যের চাবিকাঠি

নিজস্ব প্রতিবেদন: প্রথম থেকে গুনলে আজ অবধি বলিউডে প্রচুর নায়িকা এসেছেন। তারা ঝড় তুলেছেন ৮ থেকে ৮০-র বুকে। তারপর কালের নিয়ইমে বিস্মৃত হয়ে গেছেন। কিন্তু ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনীর সবার থেকে আলাদা। তাঁর আবেদন আজও অমলিন।বয়স তার ৭৩ বছর। কিন্তু তাকে দেখে সে কথা কে বলবে? আজ গ্লামারে যে কোনো ষোড়শী সুন্দরীকে গুনে গুনে এক ডজন গোল দেবেন। এখনও দেশের সবচেয়ে সুন্দরী নায়িকাদের মধ্যে অনায়াসে জায়গা করে নেবেন।

তাঁর ফিটনেস এখনো হার মানাবে কলেজ পড়ুয়াদেরও। তার ফিটনেসের রহস্য নাচ। নাচ দিয়েই তিনি শরীর চর্চা করে থাকেন। কিন্তু এই বৃদ্ধ বয়সেও তাঁর টানটান ত্বকের রহস্যটা কি? সেটা নিয়ে রীতিমত গবেষণা চলতে পারে। জীবনের শেষ সীমাতে এসেও এখনো কিভাবে এমন স্বাস্থ্যোজ্বল ত্বক বজায় রেখেছেন? নিচে রইল হেমা মালিনীর সৌন্দর্যের গোপন রহস্য।

যোগাসন: এ ক্ষেত্রে ভারতের পরম্পরাগত যোগাসনের উপর আস্থা রেখেছেন হেমা। প্রাণায়াম আর যোগাভ্যাস দিয়ে দিন শুরু হয় তার। তারপরে করেন নাচের প্র্যাক্টিস। নিয়মিত প্রাণায়াম ও যোগাসন করলে শরীরে টক্সিক পদার্থ বেরিয়ে যায় আর অক্সিজেনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে ত্বক ভাল রাখে।

সাবান নয়: ড্রিম গার্ল সাবান মাখেন না। সাবানের ক্ষার আমাদের ত্বকের ক্ষতি করে সেটা সবার জানা। তার বদলে তিনি বেসন এবং দুধের মালাই মিশিয়ে মুখে এবং শরীরে লাগান।

পরিষ্কার খাওয়াদাওয়া: হেমা মালিনী নিরামিষাশী। তাই তার প্রতিদিনের ডায়েটে থাকে প্রচুর শাকসবজি ও ফল।

উপোস: উপোষ মানব শরীর কে ডিটক্সিফাই করে। তাই অভিনেত্রী সপ্তাহে দুদিন করে উপোষ করেন। তাতে ত্বক এবং পরিপাক তন্ত্র দুটোই ভালো থাকে।

হাইড্রেটেড: হাইড্রেশনের সঙ্গে ত্বকের গভীর সম্পর্ক। শরীরে যত বেশি জল থাকবে ত্বক থাকবে ততই স্বাস্থ্যোজ্বল। তাই হেমা মালিনীও প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ লিটার জল পান করেন।

অ্যারোমা অয়েল: হেমা মালিনীর টুকটুকে গাল, মাথার গোছা গোছা চুল। সবই অ্যারোমা অয়েলের কামাল। টিনি মুখে এবং চুলে নিয়মিত অ্যারোমা অয়েল ব্যবহার করেন। স্বাস্থ্যোজ্বল ত্বক এবং চুলের জন্যই তিনি এটা ব্যবহার করে থাকেন।

Back to top button