দারুন কায়দায় এই ঘরোয়া পদ্ধতিতে আম দিয়ে বাটা মাছের টক রান্না করলে তার স্বাদ হয় দুর্দান্ত, রইলো প্রণালী!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- গ্রীষ্মের এই দুপুরে আমরা প্রত্যেকে চাই হালকা জাতীয় কোন খাবার খেতে । মসলাজাতীয় খাবার খেলেই যাতে যদি কোনো কারণে শ-রীরে কোনো ক্ষ-য়ক্ষ-তি হয় সে কথা মাথায় রেখেই আমরা গ্রীষ্মের দুপুরে সাধারণত হালকা জাতীয় কোন খাবার খেয়ে থাকি । এই যেমন ধরুন মাছের ঝোল । মাছের ঝোল বিভিন্ন রকম ভাবে রান্না করা যেতে পারে । বেশ তেল মশলা দিয়ে করা যেতে পারে । আবার পাতলা ঝোল তৈরি করা যেতে পারে ।কিন্তু কাঁচা আম দিয়ে মাছের ঝোল কখনো খেয়েছেন ? যদি না খেয়ে থাকেন তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ আপনার জন্য।

এখনো বাড়ির কাজ শেখার জন্য অন্য কারো দ্বারস্থ হতে হবে না । কারণ ইউটিউব বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এর যাবতীয় ঘটনা আমরা জানতে পারি ।শুধুমাত্র রান্না নয় তার পাশাপাশি পড়াশোনা থেকে শুরু করে গান বাজনা করা হারমোনিয়াম-বাজানো গিটার বাজানো গাড়ি চালানোর সবকিছু জানতে পারি এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে । তাই সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিনিয়ত প্রতিটি মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । বর্তমান প্রজন্ম নয় তার পাশাপাশি আমাদের আগের প্রজন্মের মানুষক সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি দ্বারস্থ হচ্ছে ।

আম দিয়ে বাটা মাছের ঝাল তৈরি করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি কড়াইয়ে সরষের তেল দিতে হবে । তারপর বাজার থেকে কিনে আনা ছোট ছোট বাটা মাছ গুলোকে বেশ ভাল করে ভেজে অন্য একটি পাত্রে তুলে রাখতে হবে । তারপর সেই তেলের মধ্যে দিতে হবে এক চামচ জিরা গুঁড়ো এবং কাঁচা লঙ্কা । তারপর তার মধ্যে দিতে হবে ছোট ছোট অংশে কেটে রাখা কাঁচা আম গুলোকে । সামান্য পরিমাণ নুন যোগ করতে পারেন আপনি । তার সাথে এরপর সামান্য পরিমান জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে কিছুক্ষণ সেদ্ধ হতে দিন গু-লিকে ।

বেশ কিছুক্ষণ সিদ্ধ হওয়ার পর ঢাকনা খুলে নিন এবং তার মধ্যে যোগ করে দিন এক চামচ লঙ্কাগুঁড়ো এবং এক চামচ সরষে বাটা । সর্ষেবাটা দিয়ে ঝোল এর স্বাদ অত্যন্ত ভালো হয়। তারপর তার মধ্যে দিয়ে দিন আগে থেকে ভেজে রাখা মাছের টুকরোগুলো কে । এমতাবস্থায় সমস্ত উপকরণ ঢাকা দিয়ে পুনরায় সেদ্ধ হতে দিন পাঁচ থেকে সাত মিনিটের জন্য তারপর যে মিশ্রণটি তৈরি হবে বা যে রেসিপি তৈরি হবে সেটি হলো কাঁচা আম দিয়ে বাটা মাছের ঝোল যা গ্রীষ্মের দুপুর কে সুস্বাদু করে তুলবে ।

Back to top button