জুতো সেলাই করছেন পিতা, পাশে বসে পড়াশোনা করছে ক্লাসের ফাস্ট বয় ছেলে!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- দারিদ্রতার হার মানিয়ে দেয় চেষ্টাকেও । এ ঘটনা প্রমাণ নতুন নয় । বহুবার দেখেছি । তবে সম্প্রতি যে ঘটনাটি প্রকাশ উঠে এলো তা নিতান্তই প্র-চন্ড ম-র্মান্তিক একটি ঘটনা । তার পাশাপাশি আবেগপ্রবণ বটে ।কারণ মানুষ ইচ্ছে থাকলে অনেক কিছুই করতে পারে তা ঠিক কিন্তু পরিস্থিতি যখন তার বিপরীতে চলে যায় তখন তার পক্ষে যু-দ্ধ জয় করা হয়তো অনেকটা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় । তবুও দাঁ-তে দাঁ-ত চে-পে কেউ কেউ আছে যারা যু-দ্ধক্ষেত্র থেকে ভ-য় পে-য়ে পা-লিয়ে নয় বরং শেষ নিশ্বাস অব্দি চেষ্টা করে জিতে ফেরার । এই যুবক তাদের মধ্যে একজন ।

কথাতে আছে পড়াশোনা করে যে গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে । অর্থাৎ পড়াশোনা করার পর মোটা মাইনের চাকরি করে জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করার মধ্যে একটা আলাদা আনন্দ রয়েছে । কিন্তু কেউ কেউ সেই সুযোগ পেয়ে পড়াশোনা করে না আবার কেউ কেউ সুযোগের অ’ভাবে পড়তে পারে না ।এই দুই ধরনের চিত্র প্রতিনিয়ত ফুটে উঠেছে আমাদের আশেপাশে পরিবেশে । কিন্তু সম্প্রতি যে ভিডিওটি দেখা গেল সেটি দেখলে আপনার চো-খে জ-ল আসতে বাধ্য । দারিদ্রতাকে উপেক্ষা করে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে এই যুবক ।

বাবা রাস্তার ধারে জুতো সেলাই করে । চরম দারিদ্র্য তার মধ্যেও সে তার প্রবল ইচ্ছা শক্তির জন্য চালিয়ে যাচ্ছে তার পড়াশোনা ।এবং আপনি জানলে অ-বাক হবেন একদিকে বাবা রাস্তার ধারে জুতা সেলাই করছে এবং বাবার পাশে বসে সেই বাচ্চাটি পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে । ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে রাস্তার ধারে একপাশে জুতো সেলাই করছেন বাবা ঠিক তারপাশেই বসে পড়াশুনা করছে তার ছেলে ।

আইএফএস অফিসার সুশান্ত নান্দার এলাকায় এই দৃশ্য দেখতে পান এবং তিনি এই দৃশ্যের ছবি তুলে নিজের টুইটার একাউন্টে পোস্ট করেন এবং সাথে লেখেন “আগুন সর্বত্রই রয়েছে, কিন্তু সব আ-গুন উজ্জলিত হয় না।”তিনি সেই শিশুটিকে উদ্দেশ্যে করে লেখেন। তার কথার অর্থ হল, অনেকে আছে বড় বড় রাজপ্রাসাদে থেকেও পড়াশুনা করতে চায়না কিন্তু এই শিশুটি যে তার বাবার পাশে রাস্তাতে বসেই নিজের পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে।এই খবর প্রকাশে আসতেই অনেকে আ-বেগপ্র-বণ হয়ে পড়েছেন এবং কমেন্ট সেকশনে মাধ্যমে তার বড় হবার প্রার্থনা করেছেন ।

Back to top button