শ্রাবন্তী ও পায়েলকে সোশ্যাল মিডিয়ায় -নোং-রা আ-ক্র-মন করায় রে’গে গেলেন অভিনেত্রী নুসরাত, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- প্রত্যেকই তাকিয়েছিল ২০২১ এর হাইভোল্টেজ বিধানসভা ভোটের ফলাফলের জন্য গত দুদিন আগে ফল প্রকাশিত হয়েছে এবং ফল প্রকাশিত হবার পর থেকে আনন্দের উ-চ্ছ্বাস দেখা গেছে গোটা রাজ্যের রাজনীতিতে । সবুজ আবির এ মেতে উঠেছে শহরের প্রতিটি অলিতে-গলি চলছে মিষ্টি বিতরণ । কারণ তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মমতা ব্যানার্জি ।বাংলা নিজের মেয়েকে চাই এই শ্লোগানটি তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সফল হয়েছে । কিন্তু যে প্রার্থী বলেছিলেন যে তিনি বেহালা পশ্চিমের ঘরের মেয়ে অর্থাৎ তিনি এলাকার মেয়ে তাই এলাকার মানুষ তাকে চাই কিন্তু সেই প্রার্থী আ-শ্চর্যজনকভাবে হেরে গেলেন । তারপর শুরু হয়েছে ক-টাক্ষ স-মা-লোচনা ।

বেহালা পশ্চিমে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর বি-রুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী । যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি হেভিওয়েট নেতার মধ্যে নুসরাত-মিমি দেরকে ভরসা করেছিলেন এবং জয়লাভ করেছিলেন সেখানে মোদী অমিত শাহ ভরসা করেছিলেন শ্রাবন্তী চ্যাটার্জীর উপর । কিন্তু তিনি জয়লাভ করতে পারলেন না বরং ভোটের আগে প্রচারে তাকে বারবার বলতে শোনা গেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং তার সরকার নিয়ে বিভিন্ন উ-স্কা-নিমূলক মন্তব্য । এতকিছু করেও কোনো কিছুই কাজে এলোনা ।

অবশেষে প্রায় ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পার্থ চট্টোপাধ্যায় কাছে হার স্বীকার করতে হলো শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী কে যা তার পক্ষে অত্যন্ত ল-জ্জাজ-নক । কিন্তু এই ঘটনার সূত্রপাত নিজের দলের এক বর্ষীয়ান নেতার মুখের বক্তব্য থেকে। বিজেপি নেতা তথাগত রায় এর বি-স্ফো-রক টুইট এর এর বেজাই রেগে যান শ্রাবন্তী । তথাগত রায় শ্রাবন্তী কে ‘নটি স্টুপিড’ বলেন । শুধুমাত্র তাই নয় এর পাশাপাশি পায়েল এবং তনুশ্রী কে কি নামে সম্বোধন করেন তিনি এবার তার উত্তর দিলেন তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহান । আমরা দেখেছি যে নুসরাত জাহান সব সময় প্রতিবাদী এক চরিত্রতে বিরাজ করে ।

অর্থাৎ কোনো রকম অ-ন্যায় এর সা-থে আ-পোষ করেননি তিনি ।বারবার নারী সুরক্ষা নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন এবং বিজেপির বি-রুদ্ধে কথা বলেছেন ।পায়েল সরকার শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী এবং তনুশ্রীকে এই ধরনের মন্তব্য করার জন্য তিনি এবিপি আনন্দ কে একটি সাক্ষাৎকারে বলেন যে আমি আগেই বলেছিলাম বিজেপি না-রী-বি-রোধী । এরা মেয়েদেরকে সম্মান করতে পারেনা কখনোই । শুধুমাত্র ভোগ্য বস্তু হিসেবে বিবেচনা করে । তাইতো ২০১১ সালে থেকেই দিদির হাত ধরে বাংলার মেয়েদের জন্য কাজ করার চেষ্টা করে চলেছি । আর যাই হোক কোনদিনই বিজেপিতে যোগ দিয়ে নিজেকে অসম্মানিত করবো না । স্বাভাবিকভাবে তার এ বক্তব্যের পর ছ-ড়িয়েছে জ-ল্পনা এবং উ-ত্তে-জনা ।

Back to top button