সর্দ্দি কাশি চিরতরে হবে দূর! শুধুমাত্র একবার খেয়ে দেখুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি এই দুর্দান্ত কার্যকরী ঔষধ

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইতিমধ্যেই পূজোর শেষে শীতের আমেজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে ঋতু পরিবর্তনের এই সময় কিন্তু বেশ সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় সাধারণ মানুষকে। কারণ এই সময়ে সিজন চেঞ্জ এর জন্য কিন্তু প্রচুর পরিমাণে সর্দি কাশি জাতীয় সমস্যা মানুষের মধ্যে দেখা যায়। যদিও করোনা আসার পর থেকে এই সমস্যাগুলি খুবই সাধারণ হয়ে গিয়েছে তবে সাধারণ মানুষের কিন্তু এই সময়ে বেশি করে সতর্ক থাকা উচিত।

আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা আপনাদের সঙ্গে একটা এমন রেমিডি শেয়ার করে নিতে চলেছি যাতে খুব সহজেই কিন্তু সর্দি কাশি থেকে আপনারা রেহাই পেয়ে যাবেন।। যাদের ঋতু পরিবর্তনের সময় এই জাতীয় সমস্যা অত্যন্ত বেশি তারা কিন্তু ভুল করেও আমাদের আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন টি মিস করবেন না।চলুন তাহলে আর সময় নষ্ট না করে প্রতিবেদনের মূল পর্বে যাওয়া যাক।

সর্দি কাশি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য বিশেষ রেমিডি:

১) প্রথমেই আপনাদের নিয়ে নিতে হবে কিছুটা পরিমাণ লবঙ্গ আর গোল মরিচ। তারপর আপনাদের অন্যান্য উপকরণ গুলি অর্থাৎ আদা, সৈন্ধ্রি লবণ, সামান্য হলুদ গুঁড়ো ও মধু নিয়ে নিতে হবে। এবার একটি প্যানের মধ্যে আপনাদের ২০ টা গোলমরিচ,১০টি লবঙ্গ (বিকল্প হিসেবে দারচিনি) নিয়ে নিতে হবে। শুকনো খোলায় এটাকে হালকা নাড়াচাড়া করুন। তারপর এগুলোকে নামিয়ে ওই গরম পানির মধ্যেই আপনাদের নিয়ে নিতে হবে আদার টুকরো। অন্যদিকে লবঙ্গ আর গোলমরিচ আপনাদের ভালো করে গুঁড়ো করে নিতে হবে।

২) অন্যদিকে আদা সামান্য গরম করে গ্রেটারের সাহায্যে গ্রেট করে নিন। তারপর একটা পাতলা রুমালের সাহায্যে আপনাদের আদার জুস বের করে নিতে হবে। যদি আপনি বড় কোন ব্যক্তির জন্য এই রেমেডি বানাচ্ছেন তাহলে মোটামুটি তিন থেকে চার চিমটে, যদি ছোট বাচ্চার জন্য বানিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে এক চিমটে গোলমরিচ আর লবঙ্গের গুঁড়ো নিয়ে নিতে হবে। অন্যদিকে মধুর মধ্যে আদার এই জুসটাকে মিশিয়ে নিন। পাশাপাশি দিয়ে দিন এক চিমটি লবণ আর এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো। এবার চার চিমটে গোলমরিচ ও লবঙ্গের গুঁড়ো নিয়ে এর সঙ্গে একসাথে মিশিয়ে ফেলুন।

৩) সকালে ঘুম থেকে উঠে চা খাওয়ার আগে বা পরে এটা কে আপনারা খেতে পারেন। রাতে শোয়ার সময় খেলেও কিন্তু দারুণ উপকার পাবেন। তবে বাচ্চাদের দেওয়ার সময় অবশ্যই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করেবেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।যদি বাড়িতে এই রেমিডি প্রস্তুত করে থাকেন সেক্ষেত্রে কতটা কাজে আসলো তা শেয়ার করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। আপনাদের মতামত আমাদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Back to top button