“আমি ক্রিকেটে লোকসভা ও রাজ্যসভায় বেস্ট প্লেয়ার হয়েছিলাম”- দাবী মমতার!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- বর্তমানে রাজ্য রাজনীতি ভী-ষণভাবে উ-ত্তপ্ত । এর চিত্র আমরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় দেখতে পেয়েছি । দেখতে পেয়েছি শীতলখুচি দেখতে পেয়েছি কাঁথি নন্দীগ্রামে । এবারে বিধানসভা ভোট অন্যান্য ভোটের তুলনায় যথেষ্ট পরিমাণে আলাদা সে ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই ।কারণ এবারে বিধানসভা ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে তিনটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ।একদিকে সংযুক্ত মুহূর্তের আরো একবার মা-থা-চা-ড়া দিয়ে উঠতে চলেছে এবং অনেকের মনে হচ্ছে যে এবারে কোথাও যেন সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীরা মিরাক্কেল ঘ-টাতে পারে ।

অপরদিকে বিজেপি চাইছে এই বাংলা দখল করতে । ঠিক তার পাশাপাশি বিজেপির গায়ে লেগে গেছে বাংলা বি-রোধী দল এর তকমা এবং অন্যদিকে এই বাংলার নিজস্ব দল তৃণমূল কংগ্রেস বি-না যু-দ্ধে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ । কাজেই এবারের বিধানসভা ভোট প্র-চণ্ড হা-ড্ডা-হা-ড্ডি হতে চলেছে বা হচ্ছে এমনটা বলার অপেক্ষা রাখে না । ইতিমধ্যে ষষ্ঠ দফার ভোট শেষ হয়ে গেছে । আগামী ২৬ এপ্রিল পশ্চিম বর্ধমান নয়টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হতে চলেছে এবং তার পরবর্তী ক্ষেত্রে ২৯ এপ্রিল বীরভূমের ভোট হবে ।

তাহলেই ভোটদান পর্ব সম্পূর্ণ রকম ভাবে শেষ হবে ।এবং ২ তারিখ অর্থাৎ মে মাসের ২ তারিখে এর গণনা করা হবে । সেই ফলাফলের দিকে চেয়ে রয়েছে এই রাজ্যের সকল মানুষ । কারণ এই ফলাফল ঠিক করে দেবে যে আদতে বাংলা বাঙালির থাকবে নাকি বহিরাগতদের হয়ে যাবে । ভোটের আগে প্রচার ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে । কিন্তু বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থনে বিভিন্ন তারকা প্রার্থীদেরকে প্রচার করতে দেখেছিলাম আমরা এর আগে । কোথাও কোথাও আবার স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির হয়েছিলেন ।ঠিক তেমনই ঐদিনের একটি জনসভায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।

এবং একটি লক্ষণীয় বিষয় হল যে এইবারে খেলা হবে গানটি কোথাও যেন রাজ্যের রাজনীতিতে এক আমূল পরিবর্তন এনেছে । শাসক দল থেকে শুরু করে বি-রোধী দল প্রত্যেকে ব্যবহার করছে খেলা হবে গানটি । এমনকি মুখ্যমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন জনসভায় খেলা হবে কথার উল্লেখ করেছেন । প্রতিটি জনসভার মতোই সেই দিনে জনসভাতে ও ফুটবল নিয়ে তিনি মেতে উঠলেন ।সামনের সারিতে এক যুবককে দাঁড় করিয়ে ঘাস ফুল আঁকা ফুটবল ছু-ড়ে দেন তার দিকে ।কিন্তু সেই যুবক সেটি ধরতে পারেনি । যার ফলে কিছুটা হলেও ক্ষি-প্ত হ-য়ে যা-য় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ।

তিনি বলেন যে আমি জানতাম তুমি পারবেনা ।চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে ।খেলাধুলা করো না কোনোদিন ।তার পরবর্তী ক্ষেত্রে অন্য এক যুবককে সামনে দাঁড় করানো হয় । সে ফুটবল ধরতে পারে । তার সাথে সাথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে খেলাধুলা প্রতিদিন করার দরকার নেই । শুধুমাত্র পারদর্শী হলেই চলবে ।আমি সাঁতার ব্যাডমিন্টন হাডুডু খেলায় জানতাম । ক্রিকেটে রাজ্য এবং লোকসভাতে বেস্ট প্লেয়ার ছিলাম । তার এই মন্তব্য একদিকে যেমন তার দলীয় কর্মীদের অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে । মনে সাহস যুগিয়েছে । তার পাশাপাশি বিরোধী দলের কর্মীদের কাছে এটি শুধুমাত্র হাসির খোরাক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

Back to top button