5 লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা ছাড়াও আর কি কি সুবিধা পাবেন কেন্দ্র সরকারের ডিজিটাল হেলথ কার্ড থেকে? জানুন বিস্তারিত!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- স্বাধীনতার পর থেকে আজ অব্দি দেশের অনেক কিছু পরিবর্তন ঘটে গেছে । তার পাশাপাশি উন্নতি হয়েছে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা তে । যেমন স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে শিক্ষা ব্যবস্থা এমনকি যাতায়াত ব্যবস্থা অভূতপূর্ণ ভাবে উন্নতি ঘটিয়েছে ভারত বর্ষ । আমরা জানি কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যের মানুষের জন্য স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর সূচনা করেছিল ।

যার মাধ্যমে রাজ্যের মানুষেরা ৫ লক্ষ টাকা করে অনুদান পাবে সরকারিভাবে চিকিৎসা করানোর জন্য । তবে সেই প্রকল্প কে অনুসরণ করেই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী চালু করল ডিজিটাল হেলথ কার্ডের ব্যবস্থা । কিভাবে এই ডিজিটাল হেলথ কারে নিজের নাম অতিরিক্ত করবেন এবং কি কি সুবিধা রয়েছে তা উল্লেখ রইল এই প্রতিবেদনে ।এর জন্য প্রথমে আপনাকে যেতে হবে নিম্নলিখিত ওয়েবসাইটে- ndhm.gov.in , এখানে গেলেই একটি অপশন পাবেন ‘হেলথ আইডি’ ।

তারমধ্যে দুটি অপশন দেখতে পাওয়া যাবে ‘Learn More’ এবং ‘Creat Health Id’ , লার্ন মোর তে ক্লিক করলে এই পরিষেবার আওতায় কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে সেই বিষয়ে সমস্ত কিছু তথ্য মিলবে।ক্রিয়েট হেলথ আইডি অপশনটিতে ক্লিক করলে ‘জেনারেট ইয়োর হেলথ্ আইডি’ অপশনটি ভেসে উঠবে। ওই অপশনে ক্লিক করে নিজের আধার নম্বর দিয়ে পরবর্তী ধাপের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। নাম নথিভুক্ত হয়ে যাওয়ার পর আপনাকে একটি ১৪ সংখ্যার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর প্রদান করা হবে, ওই নম্বর স্বাস্থ্য কার্ডের নম্বর হিসেবে আপনাকে রেখে দিতে হবে ।

ঠিকই কি থাকবে এই কার্ডের মধ্যে? প্রধানমন্ত্রী দপ্তর থেকে এমনটা জানানো হচ্ছে যে এই কার্ডের মাধ্যমে আপনার চিকিৎসা ব্যবস্থার যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য দেওয়া থাকবে । এমনকি এই মুহূর্তে আপনার স্বাস্থ্যের অবস্থা ঠিক কেমন পূর্বে কোন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন কি কি ওষুধ সেবন করেছেন বা কোন কোন রোগ নিরাময় হয়েছে যাবতীয় তথ্য থাকবে এই কার্ডের মাধ্যমে। যার ফলে আপনি অন্য কোন জায়গাতে গিয়ে চিকিৎসকের কাছে অনায়াসে জানাতে পারবেন আপনার পূর্বে কি কি ঘটেছিল ।

এমনকি আপনি অন্যের স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন এই কার্ডের সম্পর্কে তবে এই কার্ডের নাম নথিভুক্ত করতে গেলে কোন রকম কোন অর্থের প্রয়োজন নয় বলে জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুধুমাত্র তাই নয় তার পাশাপাশি ডাক্তার বা হাসপাতালে কখনো অতিরিক্ত বিল বা লাগামছাড়া বিল করতে পারবে না । যেহেতু সমস্ত কিছু তথ্য এই কার্ডের মধ্যে সরকারি পোর্টালে যুক্ত থাকবে তাই নিজের মন মতন বিল করতে পারবে না তারা।

অপরদিকে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যের চিকিৎসক করতে যাওয়ার সময় আমাদেরকে প্রেসক্রিপশন সহ যাবতীয় চিকিৎসার কাগজপত্র সাথে করে নিয়ে যেতে হয় । অনেক সময় দেখা যায় সেগুলি ছন্নছাড়া হয়ে গেছে বা কোথাও হারিয়ে গেছে। তবে এই কার্ড থাকার ফলে সেই সমস্যা কাগজগুলো নিয়ে যাওয়ার কোনো রকম কোনো প্রয়োজন নেই ।

যে সমস্ত কার্ড হোল্ডাররা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় থাকবেন তারা এই প্রকল্পের জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার প্রয়োজনে পেতে পারবেন। তবে অবশ্যই এই টাকা কোন ব্যক্তি হাতে পাবেন না । স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এ যেরকম ৫ লক্ষ টাকা থাকে। সেরকম এই ডিজিটাল কার্ডের ৫ লক্ষ টাকা থাকবে । চিকিৎসার প্রয়োজনে যদি ওই টাকার দরকার পড়ে তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ বাবদ ঐ টাকা কেটে নেবে।

Back to top button